খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে টানা দুই ম্যাচ জিতে ৫ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ২ – ০ তে এগিয়ে স্বাগতিক বাংলাদেশ। অন্যদিকে টি-২০ এর বিশ্বকাপ জয়ী ও সিরিজের দুটো টেস্ট জয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশের সাথে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আকাশ থেকে মাটিতে নামার অবস্থা। খুলনা থেকে ক্যারিবীয় দল গত পরশু সকালে ঢাকায় এসে নামলেও গতকাল আর কোন প্র্যাকটিস করেনি। আজ ৪ ঠা ডিসেম্বর সকাল থেকে ক্যারিবীয়ানদের আর দুপুরে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন করার কথা ছিল। কিন্তু হরতালের কারনে দুটি দলই তাদের সিডিউল বাতিল করে দেয়। যদিও সকাল সন্ধ্যা হরতালের পর টাইগারেরা রাতে ফ্লাড লাইটের আলোয় অনুশীলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
টেস্ট সিরিজে পরাজয়ের পর ৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ কে ধরা হয়েছিল আন্ডারডগ হিসেবে। কিন্তু সব হিসাবকে পাল্টে দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ থেকে যে পারফর্মেন্স দেখিয়েছে সেটা বাহবা দেবার মতোই। প্রথম
দুই ম্যাচের ম্যান অব দ্যা ম্যাচ ও বাংলাদেশেরই। টাইগার ব্যাটসম্যানরাই সিরিজের স্কোরের খাতায় এগিয়ে আছেন। নির্বাচকরা খুলনার দুই ম্যাচের জন্যে বাংলাদেশের স্কোয়াড ঘোষণা করেছিল। ইচ্ছে ছিল প্রথম দুই ম্যাচের উপর বিশ্লেষণ করে ঢাকার দল ঘোষনা করবেন। যেহেতু দলগত পারফর্মেন্স ভালো ছিল তাই তারা কোন পরিবর্তন না করে খুলনার স্কোয়াডটিই ঢাকার ম্যাচ খেলাবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু প্রথম ম্যাচে অভিষেক হওয়া আবুল হোসেন রাজু ইনজুরির কারণে আর বাকি ম্যাচ গুলো খেলতে পারবে না। তাই তো দল পরিবর্তন করে জিয়াউর রহমান জিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দল প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক আকরাম খানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি খেলার জগৎ কে বলেন, ইচ্ছে ছিল দলে আর কোন পরিবর্তন আনবো না । কিন্তু রাজুর ইনজুরির কারণে জিয়াকে ডাকতে হল। আশা করি জিয়া ভালো করবে।’’ জিয়া গতকাল সকালে দলের সাথে হোটেলে যোগ দিয়েছেন।
বাংলাদেশর হাতে আরও তিনটি ম্যাচ আছে। সিরিজে জয়ের জন্যে একটি ম্যাচ জিতলেই যথেস্ঠ। সমগ্র দেশ অপেক্ষা করবে আরেকটি জয়ের আশায়। আর বাংলাদেশের টাইগাররা কি পারবে নিজেদের পারফরমেন্স ধরে রাখতে?