১৫৯ রানের জবাবে সিলেটের যখন ১০ ওভারে ৫ উইকেটে ৫০ রান তখনই আর ঢাকার জয়ের আনন্দ শুরু হয়ে যায়। ৩১ হারের ম্যাচে চট্টগ্রামের উপস্থিত দর্শকতো আজ ঢাকার পক্ষেই ছিল। বিপিএলে এখন সিলেট ৬ ম্যাচে ১টি হার নিয়ে ১০ পয়েন্ট। আর এক ম্যাচ কম খেলে ৫ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে ঢাকার পয়েন্ট ৮। টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত সিলেটের। ২০ ওভারে ঢাকার সংগ্রহ ১৫৮। গত ম্যাচের চেয়ে ৬ রান বেশি শুধু। ৫ ওভারের আগেই দুই ব্যাটসম্যান আশরাফুর ও সাকিব প্যাভিলীয়নে। ১৪ রানে আশরাফুল এবং সাকিব ২ রানে রান আউট হয়ে ফিরে গেলেন। জকুয়া কব ২৩ বলে ২৯ রান করলেও দলীয় অর্ধশত আসার আগেই প্যাভিলীয়নে। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ওয়াইজ শাহ এবং স্টিভেন্স সর্বোচ্চ ৫৩ রানের জুটি গড়ে দলকে শতরানে নিয়ে যায়। ১০২ রানে শাহ ব্যক্তিগত ২২ রানে ফিরে যান। এরপর এনামুল হক এবং স্টিভেন্স ৩১ বলে ৫২ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াকু ১৫৪ রানের স্কোর দেয়। এনামুল ১৮ বলে ঝড়ো ৩২ রানের ইনিংস খেলেন। ৩২ রানের ইনিংস খেলতে এনামুল ৩টি বল হাওয়ায় ভাসিয়ে এবং ১টি বল মাটি ছুয়ে বাউন্ডারি পার করান। শেষ বলে ড্রারেন স্টিভেন্স বাউন্ডারি হাকিয়ে দলের স্কোরকে ১৫৮ তে নিয়ে যান। ইনিংসের শেষ অবধি পর্যন্ত খেলে স্টিভেন্স ৩৫ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকে। ৫টি চার ও ২টি ছয়ের মার ছিল স্টিভেন্সের ইনিংসে। সোহাগ গাজী , বেন, মমিনুল এবং নবী ১টি করে উইকেট নেন। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে সিলেটের ১২ রানে ওপেনার ডুইন স্মিথকে আশরাফুল সরাসরি থ্রোতে সাঁজ ঘরের পথ দেখালেন। ওপেনার স্টির্লিংকে মাশরাফি তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে বোল্ড করলেন। দলীয় ১৪ রানে সিলেট মমিনুলকে (১) হারিয়ে প্রচন্ড চাপে পড়ে যায়। আর ৫ ওভার শেষে স্কোর ১৯ রান, ৬ষ্ঠ ওভারের প্রথম বলেই মুশফিকেবর সঙ্গী নাবি সাকিবের থ্রোতে রান আউট। দশম তম ওভালে দলীয় রান ৫০ আর উইকেট নেই ৫টি। তাই শেষ ১০ ওভারে ৬০ বলে ১০৯ রান দরকার। ৬ষ্ঠ জুটিতে মুশফিক আর চিগাম্বুরা ৪৯ রান যোগ করে খানিকটা এগিয়ে নেন স্কোর। কিন্তু দলের ৯৬ রানে চিগাম্বুরা (২৫) রানে আর ৯৭ রানে মুশফিককে (ব্যক্তিগত ৪১ রানে) সাকলাইন সজিব সাঁজ ঘরে ফেরত পাঠালে সিলেটের হারটা তখন সময়ের ব্যাপারে পরিনত হয়। সিলেটের ইনিংস শেষ হয় ৮ উইকেটে ২০ ওভারে ১২৭ রানে। ৩১ রানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় সিলেটের। ম্যান অব দা ম্যাচ হয়েছেন স্টিভেন্স।
ঢাকা গ্লাডিয়েটরস এ বধ সিলেট