২৫৪ রান পিছিয়ে থেকে দিন শুরু করে আগের দিনের ২৩ রান যোগ করে ২৭৪ এ আটকে যায় নর্থ্ জোন। ৩ রানের লিড নিয়ে সেন্ট্রাল জোন দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে ৫৯ রান যোগ করতেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে। নর্থ জোন এক সময়ে ভালোর দিকে থাকলেও ২৭৪ রান পেরুনো সম্ভব হযনি আশরাফুলের হ্যাট্রিক-এর কারনে। ব্যাটিং দেখে একবারও মনে হয়নি ২৭৭ রানের জবাবে বিসিবি ২৭৪ রানে অলআউট হবে। রাতের কৃত্রিম আলোতে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটি করতে নেমে ২ উইকেটে ৫৯। প্রথম ইনিংসে ৩ রানের লিড যোগ করলে ওয়ালটন ৬২ রানে এগিয়ে যায়। দিনের প্রাপ্তি বলতে বিসিবির নাসিরের ৭৪, জহুরুলের ৪৭ আর ওয়ালটনের আশরাফুলের হ্যাট্রিক। মোশরারফ রুবেল ৪টি , তাসকিন ৩টি এবং আশরাফুল ৩টি উইকেট নেন।
দুপুরে ২৫৪ রানে পিছিয়ে থেকে দিন শুরু করে বিসিবি নর্থ জোনের দুই ব্যাটসম্যান মাইসিকুর রহমান ও ফরহাদ হোসেন। গতকাল দলীয় ২৩ রানের সাথে ১৪ রান যোগ করতেই ফরহাদ হোসেন পেসার তাসকিন আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান। ৩৭ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর ৮১ রান পর্যন্ত ভালোই আগাচ্ছিলেন আরেক ওপেনার মাইসিকুর রহমান ও অধিনায়ক অমি। ৮১ রানে মাইসিকুরকে(৩৫) ফিরিয়ে দেন মোশাররফ রুবেল। তৃতীয় উইকেট জুটিতে নাঈম ইসলাম ও অমি ৪৫ রান যোগ করেন। নাঈম ৩৫ রানে মোশাররফ রুবেলের দ্বিতীয় শিকারী পরিণত হন। নাঈমের বিদায়ের পর অমি ব্যক্তিগত অর্ধশত থেকে ৩ রানের দূরে থেকে তাসকিনের বলে ফিরে যান। এরপর নাসির হোসেন একাই দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৪ ছয় ও ৮ চারে ৭৪ রানের ইনিংস খেলে তাসকিনের তৃতীয় শিকারী পরিণত হন নাসির। নাসির ২৪২ রানের আউট হবার পর ফরহাদ রেজা ৩০ রান করে দলকে ২৭৪ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত আশরাফুলে হ্যাটক্রিকে ২৭৪ এ সব উইকেট হারিয়ে বসে নর্থ জোন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে ৫৯ রানে ২ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে সেন্ট্রাল জোন। ৬২ রানের লিড নিয়ে আগামীকাল রকিবুল হাসান ও মোশরারফ রুবেল দিন শুরু করবেন।