আগামীকাল শনিবার ২০ এপ্রিল, ২০১৩ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে জমকালো উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অষ্টম বাংলাদেশ গেমসের পদচারণা শুরু হবে। দর্শকদের জন্যে মাঠে প্রবেশাধিকার বাংলাদেশ গেমস লোগোউন্মোক্ত করা হয়েছে। এবং বিকেল ৪টায় গেট খুলে দেয়া হবে। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই থাকবে ডিজে রাহাত ও ডিজে জেনিফার ডিজে শো। ৪টা থেকে শুরু করে ৫.৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে দেশ সেরা এই দুই ডিজের পারফরমেন্স। এর পরেই মাঠে প্রবেশ করবেন ব্যান্ড ডিসপ্লে। তিন বাহনীর সঙ্গে পুলিশের ব্যান্ড ডিসপ্লেতে অংশ গ্রহন করবেন প্রায় ৪শতাধিক শিল্পী। মাগরিবের নামাজের বিরতীর পর শুরু হবে অডিও ভিজুয়্যাল ডিসপ্লে। ১০-১৫ মিনিটের ভিজুয়্যাল ডিসপ্লেতে ফুটে উঠবে দেশের সংস্কৃতি। সন্ধ্যা ৭টায় আগমন ঘটবে প্রধানমন্ত্রীর শেষ হাসিনার। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূইয়াসহ ৮-১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের পর জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে মাঠে প্রবেশ করবেন রেজোওয়ানা চৌধুরী বণ্যা, স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পিসহ প্রায় ১০০ জন ক্ষুদে শিল্পী। এরপরেই শুরু হবে মার্চ পাস্ট। শতাধিক দলের প্রায় ৫ হাজার ক্রীড়াবিদ এই মার্চপাস্টে অংশ নিবেন। মার্চ পাস্ট শেষে উপস্থিত ক্রীড়াবিদদের শপথ পড়াবেন দেশের দ্রুততম মানব মোহন খান ও দ্রুততম মানবী নাজমুন নাহার বিউটি। তাদের সহযোগিতা করবেন হ্যান্ডবলের জাজ উত্তম সেন গুপ্ত। এরপরেই আসবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ডিজিটাল বোর্ডে স্বাক্ষরের মাধ্যমে গেমসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই ডিজিটাল স্বাক্ষর একই সঙ্গে পুরো স্টেডিয়ামে লেজার লাইট শোর মাধ্যমে ভেসে উঠবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরই পুরো স্টেডিয়াম প্রদক্ষিণ করবে গেমসের মাসকট। তারুন্যের প্রতিক কাঠ বিড়ালিকে বেছে নেওয়া হয়েছে এবারের গেমসের মাসকট হিসেবে। মাসকটের পরই শুরু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আসল আকর্ষণ মশাল প্রজ্জ্বলন। সাবেক চার ক্রীড়াবিদ মিসেস শামীমা সাত্তার মিমু, সাবরিনা সুলতানা, শেখ আসলাম উইং কমান্ডার রফিকুল ইসলাম মশাল নিয়ে স্টেডিয়াম প্রদক্ষিণ করার পরেই মূল মঞ্চে আর্টিফিশিয়াল মশাল ভেসে উঠবে। এটাই জালাবেন জুম্মন লুসাই। সঙ্গে সঙ্গে আর্টিফিশিয়াল মশাল থেকে আলো গিয়ে পরবে মুল মশালে। তখনই জ্বলে উঠবে গেমেসর মশাল। এরপরে শংকর সাজোয়াল ৬০০ জন শিল্লী নিয়ে সুরের মূর্ছনায় ফুটিয়ে তুলবেন দেশের গ্রামীন ঐতিহ্য। এতে থাকবে স্বাধীনতা ঘোষণাও। কিভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন, কিভাবে দেশের কোটি কোটি বাঙ্গালী স্বাধীনতা যুদ্ধে জাপিয়ে পরেছেন তাও থাকছে এই ৬০০ জনের প্রদর্শনীতে। এই ৩০ মিনিটের প্রদর্শীনেত থাকবে আমাদের অর্জন, কিভাবে খেলাধূলে দেশকে সারা বিশ্বে পরিচিত করে। এর পরের থিং সং নিয়ে মঞ্চে আসবেন বাপ্পা মজুমদার, পার্থ বড়ূযা, শাকিলা জাফর, সুবির নন্দী, ফাহমিদা নবী ও কনা। থিম সং শেষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পতাকার নিয়ে মাঠে প্রবেশ করবে স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী। ১০ মিনিটের আতশবাজির মধ্য দিয়ে শেষ হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠান শেষ হবে ৮.৪০ মিনিটে।

দর্শকদের জন্য নির্দেশনাঃ

আগামীকাল শনিবার ২০ এপ্রিল, ৮ম বাংলাদেশ গেমসের উদ্ধোধন হতে যাচ্ছে। অষ্টম বাংলাদেশ গেমসের উদ্ধোধন করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে নিদিষ্টি সংখ্যক সাধারণ দর্শকদের প্রবেশ করার সুযোগ থাকছে। এক্ষেত্রে আগে আসলে আগে ভিত্তিতে বিকেল ৪টায় দর্শকরা মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন। সাধারণ দর্শকরা ৮, ১২ এবং ১৮ নম্বর গেট ব্যবহার করবে। আর ৭টা ২৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অষ্টম বাংলাদেশ গেমসের উদ্বোধন করবেন।