আবারো বর্ষসেরা পুরষ্কারের খেতাব জিতে নিলেন সাকিব আল হাসান। বিদেশ সফরে থাকায় সাকিবের পক্ষে সাকিবের মা পুরষ্কার গ্রহণ করেন।শনিবার চতুর্থবারের মতো
‘গ্রামীণফোন-প্রথম আলো বর্ষসেরা পুরস্কার’টা উঠেছে বাংলাদেশের সেরা এই অলরাউন্ডারের হাতে। পাঠকের ভোটে সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন নাসির হোসেন। ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। এরপর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ২০০৯ সালে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এই পুরস্কার জেতেন তিনি। ২০১০ সালের পুরস্কারটা পেয়েছিলেন গলফার সিদ্দিকুর রহমান । ২০১১ সালের পর এবার টানা দ্বিতীয়বারের মতো জিতেছেন গ্রামীণফোন-প্রথম আলো বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার। এছাড়া ২০১২ সালের বর্ষসেরা রানার আপ হয়েছেন দুজন ক্রীড়াবিদ। বাংলাদেশ হকি দলের ফরোয়ার্ড রাসেল মাহমুদ জিমি ও ভারোত্তোলক বিদ্যুত কুমার রায়। বর্ষসেরা নারী ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন ভারোত্তোলক সাবিরা সুলতানা। ২০১২ সালের বর্ষসেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ারের পুরস্কারটা উঠেছে এনামুল হক বিজয়ের হাতে। ২০১২ সালের আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন কিংবদন্তি ফুটবলার জহিরুল হক। তাঁকে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে গ্রামীন ফোন- প্রথম আলোর এ অনুষ্ঠান শুরু হয় । ৫০ ও ৬০-এর দশকে দেশের ফুটবল অঙ্গন মাতিয়ে রাখতেন সাবেক এই খেলোয়াড় । ২০০৪-২০১২ সাল পর্যন্ত মোট নয়বারের মধ্যে আটবারই বর্ষসেরার পুরস্কার উঠেছে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের হাতে। ব্যতিক্রম ২০১০ সাল, সেবার বর্ষসেরা হয়েছেন গলফার সিদ্দিকুর রহমান। ২০০৪ সালে বর্ষসেরা খালেদ মাসুদ, ২০০৫ সালে হাবিবুল বাশার, ২০০৬ সালে শাহরিয়ার নাফীস, ২০০৭ সালে মোহাম্মদ আশরাফুল ।
