সেন্ট লুসিয়ায় পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এগিয়ে যাবার লক্ষ্যে তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তান। টসে হেরে ব্যাটিং করে সফরকারী পাকিস্তান ৬ উইকেটে ২২৯ রান সংগ্রহ করে। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ ওভারের নাটকে ওয়েস্টইন্ডিজ ১ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচ ড্র করে। ২৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ ওভারে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ১৫ রান। পাকিস্তানের পেসার ওয়াহাব রিয়াজের বলে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান হোল্ডার ১ চার ও ১ ছয়ে ব্যবধান কমিয়ে আনেন। শেষ বলে ৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটসম্যানরা ২ রান তুলে নিলে অমীমাংসিত থাকের দুই পরশক্তির লড়াই। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটিং করতে নেমে ৫০ রান তুলতেই ৩ ব্যাটসম্যানকে হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চার্লস(৬),গেইল (৮), ড্যারেন ব্যাভো(১৭)। চতুর্থ উইকেটে স্যামুয়েলস ও সিমন্স ১৩২ বলে  ৯১ রান যোগ করেন। মোহাম্মদ ইরফান স্যামুয়েলকে ৪৬ রানে এবং সাঈদ আজমল ৭৫ রানে সিমন্সকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুলে। দলীয় ১৭৯ রানে অধিনায়ক ব্রাভোর (১৩) উইকেট তুলে নেন আজমল। ১৮৪ রানে পোলার্ড ০ রানে বিদায় নিলে ম্যাচ পাকিস্তানের হাতে চলে আসে। এরপর স্যামি ১০ ও নারিন ১৪ রানে দ্রুত ফেরত গেলে নিশ্চিত জয়ের সুবাস পেতে থাকে পাকিস্তান। কিন্তু শেষ ওভারে হোল্ডার ঝড়ে পাকিস্তানের জয় ভেস্তে যায়। পাকিস্তানের হয়ে জুনায়েদ খান ও আজমল ৩টি এবং মোহাম্মদ ইরফান ২টি উইকেট নেন। এর আগে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার উদ্বোধনী জুটিতে ৩৯ রান যোগ করেন। ১২তম ওভারের শেষ বলে  আহমেদ শেহজাদ ব্যক্তিগত ১৭ রানে  থার্ড ম্যান অঞ্চলে কেমার রোচের অসাধারণ ক্যাচে পরিণত হয়ে সাজঘরে ফেরত যান। ১৩তম ওভারের প্রথম বলে স্যামির শিকারে পরিণত হন নাসির জামশেদ(২০)। তৃতীয় উইকেটে হাফিজ ও মেজবাহ ৯০ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়ে। দলীয় ৯২ রানে ডোয়াইন ব্রাভো হাফিজের (১৪) উইকেট তুলে নেন।  অভিষিক্ত হ্যারিস সোহেল ২৬ রানের ইনিংস খেলে রোচের শিকার হন। একপ্রান্ত ধরে খেলে মেজবাহ ক্যারিয়ারের ১৯ তম অর্ধশত তুলে নিয়ে ৭৫ রানে ফিরে যান।  এরপর উমর আকমল ইনিংসের শেষ পর্যন্ত খেলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকে। ৩১ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলতে ৬টি চারের মার মারেন তিনি। এছাড়া পেসার ওয়াহাব রিয়াজ ১০ বলে ২ ছয়ের সাহায্যে ১৯ রান যোগ করলে পাকিস্তান লড়াই করার মতো স্কোর পায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে হোল্ডার ও ব্রাভো ২টি এবং স্যামি ও রোচ ১টি করে উইকেট পান। যৌথভাবে ম্যাচ সেরা পুরষ্কার পেয়েছেন মেজবাহ ও সিমন্স।