আগামী বুধবার থেকে ওভালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শুরু হওয়া এ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টের জন্য ইংল্যান্ড দলে দু’জন নতুন খেলোয়াড়কে ডাকা হয়েছে। ওয়ারউইকশায়ারের অল রাউন্ডার ক্রিস ওকস এবং ল্যাঙ্কাশায়ারের বাঁহাতি স্পিনার সিমন কেরিগানকে ১৪ সদস্যের দলে বিবেচনা করেছেন ইংলিশ নির্
বাচকরা। এদের মধ্যে ওকসের ওয়ানডে দলে অভিষেক হলেও সিমন এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দিতে পারেননি। পেস বোলিং অল রাউন্ডার টিম ব্রেসনানের জায়গায় মূলত ওকসকে ডাকা হয়েছে। চেস্টার-লি-স্ট্রিটে চতুর্থ টেস্টে ইংল্যান্ডের ৭৪ রানের জয়ী ম্যাচে ব্রেসনান ব্যাট এবং বল হাতে সফল ছিলেন। কিন্তু পিঠের ইনজুরির কারনে তিনি দল থেকে ছিটকে পড়েন। অন্যদিকে ওভালের পিচ অনেকটা স্পিন সহায়ক হওয়ায় কেরিগানকে দলে ডাকা হয়েছে। ১৯৫০ সালের পরে এই প্রথমবারের মত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা তিনটি টেস্ট সিরিজ জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছে ইংল্যান্ড। শেষ টেস্টেও জয়ের লক্ষ্যে দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য স্পিনার গ্র্যায়েম সোয়ানের সাথে অতিরিক্ত একজন স্পিনার হিসেবে কেরিগানকে দলভূক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ক্রিস ট্রিমলেট এবং ট্রেন্ট ব্রীজে প্রথম টেস্টের দল থেকে বাদ পড়া স্টিভেন ফিনকে দলে নিয়ে ফাস্ট বোলিং বিভাগেও নিজেদের শক্তিশালী করতে চাইছে স্বাগতিকরা। এ সম্পর্কে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের এক বিবৃতিতে জাতীয় নির্বাচক জিওফ মিলার বলেছেন, পাঁচজন পেস বোলারের সাথে সম্প্রতি ল্যাঙ্কাশায়ার এবং লায়ন্সের হয়ে ভাল পারফর্ম করা সিমন কেরিগানকে অতিরিক্ত স্পিনার হিসেবে দলে রাখা হয়েছে। এ কারনে কোচ এন্ডি ফ্লাওয়ার এবং অধিনায়ক এ্যালিস্টার কুকের সামনে অনেক পথ খোলা থাকলো। ওভালের কন্ডিশন বিবেচনা করে তারা এখন চূড়ান্ত দল নির্বাচন করবেন। মিলার আরো জানিয়েছেন নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরতি এ্যাশেজ টেস্ট সিরিজেই ব্রেসনান সুস্থ হয়ে দলে ফিরে আসতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। ২০১০/১১ সালের অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৩-১ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের এ্যাশেজ সিরিজ জয়ে মূখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন ট্রিমলেট। গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি সর্বশেষ একাদশতম টেস্ট খেলেছেন। ইনজুরির কারণেই মূলত ৩১ বছর বয়সী এই পেসার বেশীরভাগ সময়ই মাঠের বাইরে ছিলেন। ইতোমধ্যেই পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করা ইংল্যান্ড প্রথমবারের মত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হোম সিরিজে চারটি ম্যাচে জেতার জন্য মুখিয়ে আছে। এখন পর্যন্ত পুরো সিরিজে খেলোয়াড়দের পারফরমেন্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন মিলার।
ইংলিশ স্কোয়াড: এ্যালিস্টার কুক (অধিনায়ক), জো রুট, জোনাথন ট্রট, কেভিন পিটারসন, ইয়ান বেল, জনি ব্যারিস্টো, ম্যাট প্রায়র, স্টুয়ার্ট ব্রড, গ্র্যায়েম সোয়ান, জেমস এন্ডারসন, ক্রিস ওকস, ক্রিস ট্রিমলেট, স্টিভেন ফিন, সিমন কেরিগান।