দশম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারত ও বাংলাদেশের লড়াই ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। এই ড্রয়ের মাধ্যমে সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে রইলো বাংলাদেশ। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে সেমিফাইনালে উঠতে পারে বাংলাদেশ। বাংলাদেsaafশের হয়ে আতিকুর রহমান মিশু ও ভারতের হয়ে অধিনায়ক সুনিল চেতরি গোল দুটি করেন। দ্বিতীয়ার্ধের ৮২ মিনিটে অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম মামুনের কর্ণার কিক থেকে এমিলির গায়ে লেগে পেনাল্টি বক্সে বল পান মিশু। আর তাতেই বাজিমাত। মিশুর ডান পায়ের জোড়ালো শট সোজা ভারতের জালে পাঠান। তবে বাংলাদেশের সেই আনন্দ রেফারী বেশীক্ষণ টিকে থাকতে দেননি। দ্বিতীয়ার্ধের সময় শেষ হবার পর অতিরিক্ত ৪ মিনিটে বিতর্কিত ‘ফ্রি কিক’ পায় ভারত। পেনাল্টি বক্সের বাহির থেকে ফ্রি কিক নিয়ে ভারতের হার এড়ান সুনিল চেতরি। প্রথমার্ধে দুই দল সমানে সমানে লড়াই করে। তবে গোল শূণ্য ছিলো প্রথমার্ধের লড়াই। দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। ভারতের ৭ ফাউলের বিপরীতে বাংলাদেশের ফাউল ১২টি। নেপালের আর্মড ফোর্স মাঠে বিকেল পৌনে চারটায় ম্যাচটি শুরু হয়। নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ২-০ গোলে নেপালের কাছে পরাজিত হয়। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র আত্মঘাতি গোলে জয় পায় ভারত। এদিকে ভারতের বিপক্ষে রেফারির বিতর্কিত এক সিদ্ধান্তে সাফ গেমসের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় বঞ্চিত হয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দলের পারফরমেন্সে সন্তুষ্ট হেড কোচ ক্রইফ। তিনি জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশকে হারানো হয়েছে।’ দ্বিতীয়ার্ধের ৯০ মিনিট সহ অতিরিক্ত ৩ মিনিটেও বাংলাদেশ মিশুর গোলে এগিয়ে ছিলো। কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার ৩০ সেকেন্ড পূর্বে পেনাল্টি বক্সের বাহিরে রেফারি ক্রিশান্ত প্যারেরা ভারতকে ‘ফ্রি কিক’ উপহার দেন। ‘ফ্রি কিক’ গোল করে ড্র করে হার এড়ায় ভারত। এদিকে বাংলাদেশকে ‘জয় বঞ্চিত’ করার জন্য কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ দায়ী করেছেন রেফারিকে। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ বলেন,‘মাঠে রেফারি পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন। আর মাঠের বাইরে পক্ষপাতিত্ব করেন চতুর্থ রেফারি। তারা আমাদের ম্যাচটি ধ্বংস করে দিয়েছে। তা না হলে আমারা ম্যাচটি জিততে পারতাম।’নেপাল থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি।