ওয়ালটন ফেডারেশন কাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মোহামেডানের বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পেয়েছে আবাহনী লিমিটেড। দলের হয়ে দুই বিদেশী লুইস রুমোলো কাষ্ট্রো ও উসাই মরিসন একটি করে গোল করেন। প্রথমার্ধে এক গোলে এগিয়ে থাকে আবাহনী। বিরতীর পর দ্বিতীয় গোলে দে
খা পায় আকাশী-নিল জার্সিধারীরা। মোহামেডান ও আবাহনী ম্যাচকে উপলক্ষ্য করে স্টেডিয়াম পাড়ায় বিকেল থেকেই ভিড় বাড়তে থাকে। সন্ধ্যা ৬ টায় শুরু হওয়া ম্যাচের ১১ মিনিটেই এগিয়ে যায় আবাহনী। গোলটি করেন ব্রাজিলের লুইস রুমোলো ডি কাস্ট্রো। মিডফিল্ডার তৌহিদুল ইসলামের ফ্রি কিক থেকে বল পেয়ে ডি বক্সে ভিতরে হেড করেন লুইস রুমোলো। আর হেড দিয়ে মোহামেডানের গোলরক্ষক মামুন খানকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়ান। ৯ মিনিটের ব্যবধানে সমতায় ফিরার সুযোগ পেয়েছিল মোহামেডান। কিন্তু মধ্যমাঠ থেকে এমিলির বাড়ানো বল লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে পারেনি নাইজেরিয়ান চাকুয়া চার্লস। এরপর আবাহনীর একের পর এক আক্রমণে কোনঠাসা হয়ে পড়ে মোহামেডানের রক্ষণভাগ। ৪২ মিনিটে আবহানী নেওয়া কর্ণার কিক থেকে মোহামেডানের নিশ্চিত গোল ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক মামুন খান। এরপর প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে আবারো সমতায় ফিরার সুযোগ নষ্ট করে মোহামেডান। এবার গোল ক্ষরা কাটিয়ে উঠতে পারেনি ফরোয়ার্ড ঈমন মাহমুদ। চাকুয়া চার্লসের বাড়ানো পাস থেকে গোল পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন তিনি। বিরতী থেকে ফিরে আক্রমণের ধার বাড়ায় মোহামেডান। ৬০ মিনিটে ডি বক্সের বাহির অধিনায়ক এমিলি শট নিলেও তা বারপোষ্টের উপর দিয়ে চলে যায়। ৭৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায় আবাহনী। মিডফিল্ডার তৌহিদের বাড়ানো বলে গোল পোস্টে এগিয়ে দেয় হাইতির মরিসন। কিন্তু বারে লেগে বল ফেরত চলে আসে। ফিরতী শট নিয়ে ব্যবধান ২-০ গড়েন মরিসন। আর এই গোলেই জয় নিশ্চিত করে আবাহনী। শেষ দিকে মোহামেডান একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও ফরোয়ার্ডদের ভুলে সব সুযোগ ভেস্তে যায়।