আজ থেকে ঠিক ১০০ দিন পর বিশ্ব টি-২০ টুর্নামেন্টের যাত্রা শুরু হবে। রাতের আকাশ আতশবাজি দিয়ে আলোকিত করে বিশ্বকে সেই বার্তাই পৌঁছে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।২০১৪ টি-২০ বিশ্ব আসরের একমাত্র আয়োজক বাংলাদেশ। ছেindet20লে ও মেয়ে বিভাগের সকল ম্যাচ বাংলাদেশের তিনটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উল্টো গণনা শুক্রবার রাত ১২টা এক মিনিটে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়েছে। রাত ১২টায় তিনটি ভেন্যু- ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামে একসঙ্গে ঘড়ি দেখে ‘কাউন্ট ডাউন’ শুরু হয়। ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্রান্তে রাত ১০টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে দেশের সনামধন্য ব্যান্ড ‘শূণ্য’ সঙ্গীত পরিবেশন করে। এরপর উল্লাস আর করতালিতে টি-২০ বিশ্বকাপকে স্বাগত জানানো হয়। এসময় প্রায় ১০ মিনিটের আতশবাজি ঢাকার আকাশকে বিশ্বকাপের রঙে রাঙিয়ে দেয়। ঢাকার কাউন্ট ডাউন আয়োজনে যোগ দেন নব নির্বাচিত ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, আইসিসির ইভেন্ট ম্যানেজার ক্রিস টেটলি, বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সহ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সালমা খাতুন। কাউন্ট ডাউন শুরুর আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান বলেন, ‘এককভাবে বিশ্বকাপের মতো আসর আয়োজনের ইচ্ছা পূরণ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের। সারা দেশের মানুষের মতো আমিও আনন্দিত। আশা করি বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশর ক্রিকেট প্রেম আরো একবার তুলে ধরতে পারবো আমরা।’ সভাপতি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট পাগল জাতি। ভারতের পরে বাংলাদেশই ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় সমর্থক। আমাদের দর্শকরাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দর্শক। আমাদের স্টেডিয়ামে যদি ধারণক্ষমতা থাকতো, তবে ভারতও আমাদের কাছে হার মানতো।’ প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপ আয়োজন করার মধ্য দিয়ে এক নতুন ইতিহাস রচনা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর আগে ১৯৮৭, ১৯৯৬ ও ২০১১ সালে এশিয়ায় বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলেও এবারই প্রথম আয়োজক দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে ২০১১ সালে ভারত ও শ্রীলংকার সাথে সহ-আয়োজকের ভূমিকা পালন করে বাংলাদেশ। আগামী বছরের ১৬ মার্চ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান।