ক্রিকেট যে এক অনিশ্চয়তার খেলা সেটা আবারো প্রমাণ করলোশ্রীলঙ্কা ও নিউ জিল্যান্ড। টি-টোয়েন্টিতে বোলারদের উপর কোন দয়া মায়া দেখান
না ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু সোমবার ভিন্নচিত্র পাওয়া গেল। বোলাররা জিতিয়ে দিলেনশ্রীলঙ্কাকে। আর এই জয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌছে গেল শ্রীলঙ্কা। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ১১৯ রান জমা করে শ্রীলঙ্কা। সেমিফাইনালের জন্যে ডু অর ডাই ম্যাচে এই রান একদমই নগন্য। তsrilanka criবুও সামান্য এই টার্গেটকে নিউজিল্যান্ডের সামনে পাহাড়ের চূড়া বানিয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কার স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ। মাত্র ৬০ রানে থেমে যায় কিউইদের ইনিংস। ১২০ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৯ রান তুলতেই ৫ উইকেট নেই নিউ জিল্যান্ডের। ৫টি উইকেটেরই ত্রাতা বাহাতি স্পিনার হেরাথ। প্রথমে রান আউট করে গাপটিলকে ফিরালেও পরের চারটি উইকেট নেন নিজের স্পিন ঘূর্ণিতে। একে একে ফিরিয়ে দেন ম্যাককালাম, টেইলর, নিসাম ও রঞ্চিকে। ২৯ রানে ৫ উইকেট হারানো নিউ জিল্যান্ডের দলীয় স্কোরে ৪ রান যোগ হতেই  সাজঘরে ফিরেন নাথান ম্যাককালাম। উইকেটটি নেন আরেক স্পিনার সেনানায়েকে। এরপর সেনানায়েকে নিজের তৃতীয় ওভারে ব্ল্যাক ক্যাপ্স শিবিরে আঘাত করেন। দলীয় ৫১ রানে কাইল মিলস এলবিডাব্লিউর শিকার হন। একপ্রান্ত ধরে খেলেন কেন উইলিয়ামসন। রান আউট হবার আগে ৪৩ বলে ৪২ রান আসে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকে।  নিউ জিল্যান্ড শিবিরে শেষ আঘাটিও আনেন হেরাথ। পেসার ট্রেন্ট বোল্টকে স্লিপে তালুবন্দি করান হেরাথ। মাত্র ৩.৩ বল করে ৩ রানের খরচে ৫ উইকেট নেন হেরাথ। তবে এর আগে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরাও ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হন। সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন মাহেলা জায়বর্ধনে। এছাড়া লাহিরু থিরিমান্নে ২০, সেনানায়েকে ১৭, কুশল পারেরা ১৬  ও কুশল পারেরা ১৬ রান করেন। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে নাথান ম্যাককালাম ও নিসাম ৩টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন তিনি।