t20 finalশিরোপা আক্ষেপ ঘুচালো শ্রীলঙ্কা। পাঁচবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুইবার ফাইনালে উঠলেও শিরোপার স্বাদ নিতে পারেনি সিংহের দল। অবশেষে নিজেদের পয়মন্ত ভেন্যুতে ভারতকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টির শিরোপা ঘরে তুললো মালিঙ্গা-সাঙ্গাকারা ও জয়াবর্ধনেরা। অলএশিয়া ফাইনালটা হলো ফাইনালের মতো। লো স্কোরিং ম্যাচেও শ্রীলঙ্কাকে সহজে জিততে দেননি ধোনীর দল। মিরপুর শেরে বাংলায় শ্রীলঙ্কার আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ১৩০ রান করে ভারত। জবাবে শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেট ও ১৩ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে। শিরোপা জয়টা ঐতিহাসিক হয়ে থাকলো শ্রীলঙ্কার দুই তারকা মাহেলা জয়াবর্ধনে ও কুমার সাঙ্গাকারার জন্যে। কারণ এই ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন শ্রীলঙ্কার সাবেক এই দুই অধিনায়ক।     ১৩১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৫ রান তুলতেই সাজঘরে কৌশল পারেরা। দ্বিতীয় উইকেটে ৪১ রান পযন্ত টেনে নেন দিলশান ও জয়াবর্ধনে। এরপর দিলশান ১৮ রানে সাজঘরে ফিরার পর কুমার সাঙ্গাকারা ও জয়াবর্ধনে শেষবারের মতো জুটি বাধেন। তবে ২৪ রানের বেশি স্থায়ী হয়নি তাদের জুটি। জয়াবর্ধনের ক্যারিয়ারের শেষ ইনিংসটি থামে ২৪ রান। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর থিরিমান্নে ৭ রানে আটকে যায়। একপ্রান্ত ধরে খেলা সাঙ্গাকারা এরপর একহাতে ভারতের বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে আনেন। পঞ্চম উইকেটে থিসারা পারেরাকে সাথে নিয়ে অপরাজিত ৫৪ রানের জুটি গড়েন সাঙ্গাকারা। সাঙ্গাকারা ৩৫ বলে ৬ চার ও ১ ছয়ে ৫২ এবং থিসারা পারেরা ১৪ বলে ১ চার ও ২ ছয়ে ২১ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে সেমিফাইনালের মতো এই ম্যাচের নিজের ব্যাটিং ঝলক দেখান কোহলী। মাত্র ৫৮ বলে ৫ চার ও ৪ টি ছয়ে ৭৭ রানের ইনিংস উপহার দেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। অবশ্য ব্যক্তিগত ১১ রানে হেরাথের বলে মালিঙ্গার হাতে জীবন পান তিনি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। কোহলী ছাড়াও ব্যাট হাতে ২৯ রান করেন রোহিম শর্মা। ২৬ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৯ রান করেন তিনি। তবে টি-টোয়েন্টি মেজাজে খেলতে পারেনি যুবরাজ সিং। ২১ বলে ১১ রান করেন বাহাতি যুবরাজ। ৪ রানে অপরাজিত থাকে ধোনী। শ্রীলঙ্কার হয়ে ম্যাথুস, কুলাসেকারা ও হেরাথ ১টি করে উইকেট নেন।