টি-টোয়েন্টির নাম নিতেই
বিশ্ব ক্রিকেটে কিছু মহাতারকার নাম চলে আসে। যারা চার-ছক্কার ঝর্ণা বইয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে করে তুলে আরো আকর্ষণীয়। এদের মধ্যে ক্রিস গেইল, যুবরাজ সিং, শহীদ আফ্রিদী, ডেভিড ওয়ার্নার কিংবা বাংলাদেশের তামিম ইকবাল, নিউজিল্যান্ডের রস টেইলর, ব্রেনডান ম্যাককালাম অন্যতম। এরা কেউই নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি।ফ্লপ এই তারকাদের ব্যর্থতায় ব্যর্থ তাদের দল। এমন পাঁচ জনকেই নিয়ে আজকের আয়োজন:
তামিম ইকবাল (বাংলাদেশ)
দেশ সেরা ব্যাটসম্যান। তবুও ব্যাটে রান নেই। বাংলাদেশি সমর্থকদের সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছেন তামিম ইকবাল। মিরপুরের প্রতিটি ঘাস যার চেনা সে পুরো টুর্নামেন্টে ফ্লপ। বাছাই পর্বসহ বিশ্বকাপে তামিম খেলেছেন সাত ম্যাচ। তাতে সাকল্যে তার সংগ্রহ মাত্র ৮৩ রান। সর্বোচ্চ ইনিংস ৩০ রানের। ছক্কা মেরেছেন ১টি, বাউন্ডারি ৮। স্ট্রাইকরেট ৮৫.৫৬।
ক্রিসগেইল (ওয়েস্টইন্ডিজ)
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বাধিক ছক্কা মারার রেকর্ডটাই ক্রিস গেইলের। বাংলাদেশে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান এসেছিলেন অন্যতম সেরা তারকার লোগো এঁটেই। কিন্তু তাদের সে আশা পূরণ হয়নি। তিনি ‘ফ্লপ’। পাঁচ ম্যাচে তার সংগ্রহ মাত্র ১৪৩ রান। বল খেলেছেন ১৩৩টি। স্ট্রাইকরেট ১০৭.৫১। ছক্কা ৬, বাউন্ডারি ১১। একটিমাত্র হাফসেঞ্চুরি (৫৩)। গড় ২৮.৬০। ‘ক্যারিবিয়ান পাইরেটের’ এমন পারফরম্যান্স সত্যিই হতাশ করেছে ক্রিকেটপ্রেমীদের। তার মতো ব্যাটসম্যানের কাছে প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া।
মারলনস্যামুয়েলস (ওয়েস্টইন্ডিজ)
শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত গত ২০১২ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে তিনিই ছিলেন ম্যাচসেরা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালে ব্যাটে ঝড় তুলে ৫৬ বলে করেছিলেন ৭৮ রান। যাতে ছিল ৬ ছক্কা এবং ৩টি বাউন্ডারি। এবারের বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচে স্যামুয়েলস মাত্র ৮৬ রান করেছেন। তাতে সর্বোচ্চ ইনিংস মোটেই ২০ রান। গড় ২১.৫০। গোটা বিশ্বকাপে একটি মাত্র ছক্কা আর ৭ বাউন্ডারিই তার সম্বল।
ডেভিডওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া)
গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় অস্ট্রেলিয়ার। মাত্র একটি ম্যাচ জিতেছে তারা। ব্যর্থতার দায়ভার দলের হলেও শুরুটা ভালো করতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। চার ম্যাচে মাত্র ৯১ রান করেছেন বাঁহাতি ওপেনার ওয়ার্নার। সর্বাধিক ৪৮ রান। গড় ২২.৭৫। ছক্কা মেরেছেন ৪টি, বাউন্ডারি ১১।
ব্রেনডান ম্যাককালাম (নিউজিল্যান্ড)
নিউজিল্যান্ড দলের ব্যাটিংয়ে অন্যতম হার্ড হিটার হিসেবে বাংলাদেশে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এসেছিলেন ব্রেনডান ম্যাককালাম।। দলের অধিনায়ক। নেতৃত্বের অভাবের সাথে সাথে নিজের পারফরমেন্সের ভাটা পড়েছে। দলকে উঠাতে পারেনি সেমিফাইনালে। চার ম্যাচে ম্যাককালামের ব্যাট থেকে এসেছে ৯৫ রান। হাকিয়েছেন ৫টি চার ও ৪টি ছয়।