t20 nz vs bdনিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র টি-২০ ম্যাচে ১৫ রানের আক্ষেপে পুড়লো বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২০৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে ১৮৯ রান সংগ্রহ করে। পাহাড় সমান রান তাড়া করতে নেমে ১৯ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। শামসুর রহমান  (৪), জিয়াউর রহমান (৬) ও মুমিনুল হক  (৯) রানে সাজঘরে বিদায় নেন। এরপর চতুর্থ উইকেটে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। চতুর্থ উইকেটে নাঈম ও মুশফিক ২০ বলে ৪৩ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৬২ রানে কাইল মিলসের বলে নাঈম ১৮ রানে ফিরে যান। ৩ চার ও ১ ছয়ে নাঈম ১৮ রান তুলে নেন।  এরপর পঞ্চম উইকেটে নাসির ও মুশফিক ৫৪ রান যোগ করেন।  ক্যারিয়ারের প্রথম টি-২০ অর্ধশতক তুলে নিয়ে ৫০ রানে বিদায় নেন টাইগার দলপতি মুশফিকুর রহিম।  ২৯ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ৫০ রান করেন মুশফিক। কোরি এন্ডারসনের মুশফিকের উইকেট তুলে নিয়েছেন। এরপর নাসিরও ২৮ রানে ফিরে যান। ম্যাকাকালামের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। ১২০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশ সপ্তম উইকেটে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলে। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও সোহাগ গাজী ৩৫ বলে ৫৭ রান তুলে নেন।  কিন্তু ১৭৭ রানে সোহাগ গাজী (২৩) ও মাহমুদুল্লাহ (৩৪) রানে ফিরে গেলে জয়ের আশা কমে যায়। শেষ ৬ বলে ২২ রানের প্রয়োজনের বাংলাদেশ ৬ রান সংগ্রহ করে ১৫ রানে হেরে যায়। এর আগে টসে জিতে নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেট হারিয়ে ২০৪ রান সংগ্রহ করে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন কলিন মুনরো। এছাড়া অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা ডেভচিচ ৫৯ রান করেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-২০ এটি কোনো দলের সর্বোচ্চ রান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে খেলতে শুরু করেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার রাদারফোর্ড ও ডেভচিচ। প্রথম পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে ৭০ রান তুলে নেন ওপেনাররা। এরপর রাদারফোর্ডকে ১৭ রানে ফিরিয়ে দিয়ে নিউজিল্যান্ড শিবিরে প্রথমবারের মতো আঘাত আনেন সোহাগ গাজী। সোহাগ গাজীর বল উঠিয়ে মারতে গিয়ে লং অনে নাসিরের হাতে তালুবন্দি হন রাদারফোর্ড।  আক্রমণাত্মক হয়ে উঠা ডেভচিচ ক্যারিয়ারের প্রথম টি-২০অর্ধশতক তুলে নিয়ে ৫৯ রানে ফিরে যান। ৩১ বলে ৫৯ রান করা ডেভচিচ আব্দুর রাজ্জাকের বলে লং অনে শামসুর রহমানের হাতে তালুবন্দি হন। ১০ চার ও ১ ছয়ে এ রান সংগ্রহ করেন তিনি।  ৮৩ রানে দ্বিতীয় উইকেট যাবার পর তৃতীয় উইকেটে কলিন মুনরো ও টেইলর ৪৯ বলে ৯৩ রান যোগ করেন। দলীয় ১৭৬ রানে টেইলর ২৮ রানে ফিরে গেলেও কলিন মুনরো ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক তুলে নেন। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত খেলে মুনরো ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন। এজন্য ৩৯ বলে টি ৩ চার ও ৬ টি ছক্কা হাঁকান মুনরো। এছাড়া কোরি এন্ডারসন ১৮ রান করেন।   পেসার রুবেলের পরিবর্তে অভিষিক্ত হওয়া আল-আমিন হোসেন ২টি উইকেট পান। কোরি এন্ডারসন ও রঞ্চির উইকেট তুলে নেন তিনি।   এছাড়া সোহাগ গাজী , আব্দুর রাজ্জাক, জিয়াউর রহমান ১টি করে উইকেট নেন।