২০১৪ টি-২০ বিশ্বকাপের লোগোনিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের আশানুরুপ পারফরমেন্সের পর সবার চোখ এখন ২০১৪ টি-২০ বিশ্বকাপের দিকে। সামনের বছরই বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে চার-ছক্কার টি-২০’র বিশ্ব আসর । ছেলেদের ১৬টি দলের সাথে মেয়েদেরও ১০টি দল টুর্নামেন্টে অংশ নিবে। তবে স্বাগতিক হয়েও বাংলাদেশ টি-২০ বিশ্বকাপের সরাসরি অংশ নিতে পারছে না। এজন্য প্রথম রাউন্ডের বাঁধা পেড়িয়ে দ্বিতীয় রাউন্ড বা  মূল পর্বে অংশ নিতে হবে। আইসিসি টি-২০ র‌্যাঙ্কিংয় অনুযায়ী শীর্ষ ৮টি দল সরাসরি সুপার ১০-এ খেলার সুযোগ পেয়েছে।  প্রথম রাউন্ড পার হয়ে আসা দুটি দল এতে সুপার টেনে অংশ নিবে। বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে শীর্ষ আটের বাইরে থাকায় সুপার টেনে যেতে হলে তাদের বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা ছয়টি দলের সঙ্গে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ খেলতে হবে। প্রথম রাউন্ডে বাংলাদেশ পড়েছে ‘এ’ গ্রুপে আর জিম্বাবুয়ে ‘বি’ গ্রুপে। আগামী ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাছাই পর্ব থেকে আসবে এই ছয়টি দল। বাছাই পর্বেও ১৬টি দল দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়েছে। ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত,হংকং,ইতালি, নামিবিয়া, আয়ারল্যান্ড,কানাডা ও ইতালি। এই আট দল থেকে তিনটি দল বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের মোকাবেলা করবে।  অন্যদিকে বাছাইপর্বের ‘বি’গ্রুপে রয়েছে আফগানিস্তান, হল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, কেনিয়া, বারমুডা, ডেনমার্ক, নেপাল এবং পাপুয়া নিউ গিনি। এই গ্রুপ থেকে শীর্ষ তিন দল বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে জিম্বাবুয়ের প্রতিপক্ষ।  বাংলাদেশ যদি সুপার টেন বা দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌছায় তবে তাদের সবগুলো ম্যাচ হবে ঢাকায়। সুপার টেনে উঠলে বাংলাদেশ ২৫ মার্চ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২৮ মার্চ ভারত, ২০ মার্চ পাকিস্তান ও ১ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলবে। এছাড়া বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের তিনটি খেলা যথাক্রমে ১৬,১৮ ও ২০ মার্চ। প্রথম ম্যাচটি ১৬ মার্চ মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবার পর ১৮ ও ২০ মার্চের ম্যাচগুলো চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে।