প্রথম আসরের ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় আসরেও ঢাকা তাদের জয়রথ বজায় রেখে খুলানার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে ৬২ রানের জয় পেয়েছে। টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত আনামুলনিয়ে ঢাকা দ্বিতীয় ওভারেই হোচট খেয়ে বসে। ডলার মাহমুদের প্রথম ওভারেই কব ১৭ রানেই ফিরে যান। তবে সেই ধাক্কটা সামলে দিয়ে আশরাফুল ও তরুণ এনামুল আক্রমণাত্তক ব্যাটিং করে দ্রুত ৫০ রান তুলে নেন। আশরাফুল ১১ বলে ২২ রান করে ডলার মাহমুদের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হয়ে ফিরে যান। ২২ রান তুলতে আশরাফুল ৪টি চার ও ১টি ছয়ের মার মারেন। ৫ ওভারের আগেই ২ উইকেট পড়ে গেলে এনামুল ও ওয়াইজ শাহ ৯০ রানের জুটি গড়ে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। দুই ব্যাটসম্যানই অর্ধশত রান করেন। এনামুল আসরের প্রথম অর্ধশত রান কওে ৩৮ বলে। ৫০ রানেই আউট হবার আগে ৪টি চার ও ৩টি ছয়ের মার মারেন।এনামুলের পর সাকিব এসেও রান তোলায় ব্যস্ত হয়ে উঠে। শেষ পর্যন্ত ওয়াইজ শাহ ৮৪ রানে আউট হয়ে যান। সাকিব ২৭ রানে অপরাজিত থাকে। খুলনার পক্ষে ডলার মাহমুদ ৪০ রানে ৩টি উইকেট ও ফরহাদ রেজা ৪২ রানে ১ উইকেট নেন। ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ঢাকার সংগ্রহ দাড়ায় ২০৪ রান।

ঢাকা গ্লাডিয়েটরস

পাহাড় সমান রানের বিপরীতে ব্যাটিং এ নেমে শুরুটা ভালো করলেও পরবর্তীতে সেই ধার আর বজায় রাখতে পারেনি। নাজিমউদ্দিন ১৮ বলে ২৭ রান করে ফিরে যাবার পর শুধু মাত্র আরেক ওপেনার ওয়েসেলস ৩০ রান করেন। মোশাররফ রুবেলের ঘুর্ণিতে কুপোকাত হয়ে ফিরে দুই বলে ওয়েসেলস ও মিথুন আলী ফিরে গেলে হ্যাটক্রিককের সম্ভাবনা জাগে। কিন্তুু মিজানুর রহমান ডিফেন্স করে তা আর হতে দেয়নি। খুলনার অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফীস ধীর গতির ব্যাটিং করে ৫ রানে ফিরে যাবার পর সব আশা শেষ হয়ে যায়। এরপর নিয়মিত বিরতীতে উইকেট গেলে খুলনার পরাজয়ের জন্যে অপেক্ষা করতে হয় শুধু। শেষ দিকে ফরহাদ রেজার ১৭ ও আসিফ আহমেদের ২৯ রান শুধু মাত্র পরাজয়ের ব্যাবধান কমিয়েছে মাত্র। শাহাদাত হোসেন ৭ রানে ও সানজামুল ৪ রানে অপরাজিত থাকে। ওয়ায়িজ শাহ ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সবচেয়ে দীর্ঘ ছয় হাকানোর জন্যে ১০০ ডলার পুরষ্কার পান নাজিমউদ্দিন।