বাংলাদেশের দ্বাদশ তম সিরিজ জয়ের হাতছানি আর অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে সমতা ফেরার উদ্দেশ্য- এ রকম একটি সমীকরণ নিয়েই আগামীকাল মিরপুরের হোম অব ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর আড়াইটায় মুখোমুখি হবে দুই দল। খুলনায় অনুষ্ঠিত প্রথম দুই ম্যাচ হারের পর ক্যারিবীয় অধিনায়ক স্যামি জানিয়েছিলেন, মিরপুরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল আসল চেহারায় ফিরবে ও নিজেদের মানের ক্রিকেট খেলবো।” কথার সাথে কাজের মিল রেখেই তৃতীয় ম্যাচেই সিরিজে সমতা আনার জন্যে একধাপ এগিয়ে গেলেন। গতকালের সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ক্যরিবীয় দল বাংলাদেশের সাথে লড়াই করেই ৪ উইকেটের জয় তুলে নেন। মারলন স্যামুয়েলস ১২৬ রানের ইনিংস খেলে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে স্যামুয়েলস বলতে ভুল করেনি, আমরা আমাদের আসল চেহারায় ফিরে আসছি। পরের ম্যাচগুলো আরও আগ্রাসী থাকবো। তাকে প্রশ্ন করা হল, মিরপুরের মাঠ কি আপনার লাকি গ্রাউন্ড? তিনি হাসি মুখেই জবাব দিলেন, পরো বাংলাদেশই আমার জন্যে লাকি। সিরিজের পরবর্তী পরিকল্পনা কি? তা জানতে চাইলে বলেন, আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ ভালো করতে চাচ্ছি। চতুর্থ ম্যাচটার দিকেই ঝুকে আছি। সিরিজ নিয়ে পরে চিন্তা করবো।”
একদিকে মারলন স্যামুয়েলস হাসি মুখে বিদায় নিলে মাহমুদুলস্নাহ সাংবাদ সম্মেলনে আসেন কিছুটা গোমরা মুখেই। খুলনায় যে হাসি ছিল সেটা কিছুটা মলিন। সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রথমেই বলে দিলেন, আমাদের আরও ২০-২৫ রান করা উচিৎ ছিল। আমরা ভালো শুরু করেও সেটা ধরে রাখতে পারেনি।” মাঠে কুয়াশার বিষয়টা কতটুকু ভাবিয়েছে আপনাদের? মাঠে কুয়াশার বিষয়টা বোলিং করার সময়ে মনে হয়নি তবে ফিল্ডিং করার সময়ে মনে হয়েছে।” রিয়াদকে নিজের ব্যটিং পজিশন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমাকে অভিষেকের পর থেকেই এভাবেই খেলানো হয়েছে। আর বর্তমানে আমি এই জায়গায় খেলে অভ্যস্থ হয়ে গিয়েছি। আর টিম কম্বিশন এই ফরমেটে খেলে তো রান পাচ্ছে।” মমিনুলের বিদায়ে আপনি ও অধিনায়ক ক্রিজে ছিলেন সে সময়ে পরিকল্পনাটা কি ছিল? আমি আর মুশফিক ৪০ ওভার পর্যন্ত খেলতে চেয়েছি। বাজে শটস না খেলতে চেয়েছিলাম। বিশ্বাস ছিল আমরা শেষ পর্যন্ত থাকলে ২৪০ রান করতে পারতাম।” সিরিজে বাকি ম্যাচ গুলোর পরিকল্পনা কি রকম? আমরা চতুর্থ ম্যাচ নিয়ে ভাবছি। আমরা পরের ম্যাচটা জয়ের ধারায় ফিরে আসতে চাই। আমরা সিরিজ জয়ের জন্যে বাকি ম্যাচ গুলোতে মাঠে নামবো।”