খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম জয়ের দেখা পেলো চিটাগং কিংস। বরিশাল বার্নার্সকে ২১ রানে হারিয়ে বিপিএলের দ্বিতীয় আসরের প্রথম জয় উদযাপন করলেন। টসে হেরে প্রথমে ব্যটিং করার সুযোগ পেয়ে চিটাগং কিংস নির্ধারিত ২০ ওভারে ১২৯ রান সংগ্রহ করে। জবাবে বরিশাল বার্নার্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ১০৮ রান সংগ্রহ করতে পারে। চিটাগং কিংসের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং এর কারণেই জয় নিশ্চিত হয় চিটাগং কিংসের। প্রথম ইনিংসে চিটাগং কিংসের সর্বোচ্চ রান করে রবি বোপারা। ৩৮ রানের ইনিংস খেলে তিনি শুরুটা ভালো করে দেন। সাথে ছিলেন নাইম ইসলাম। বোপারাকে যোগ্য সমর্থন দিয়ে তিনি ১৯ রান করেন। ৫২ রানে প্রথম উইকেটের পতনের পর বরিশালের বোলাররা স্কোর বোর্ডে ২৫ রানের খরচায় আরও ৩ উইকেট তুলে নেন। রিয়াদ ৩ রানে,গত ম্যাচের অর্ধশতকধারী টেইলর ১৪ রানে এ বোপারা ৩৮ রানে ফিরে যান। এরপর রায়ান এবং জ্যাকব ওরাম দলকে ১২০ পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত তাদের বিদায়ের  পর চিটাগং মাত্র ১২৯ রান জমা করতে পারে। লো স্কোরিং খেলায় বরিশাল বার্নার্স শুরুটা করেছে আক্রমনাত্তক ভাবে। ২ ওভারে ২০ রান তুলে নিয়ে ভালো সূচনা করে দেন ব্রাড হজ ও মাস্টার্ড। তবে তৃতীয় ওভাকে ওরাম মাস্টার্ডকে এবং চতুর্থ ওভারে কুপার ডেনলিকে ফিরিয়ে দিলে খেলা জমিয়ে তুলে বোলাররা। তবে একপ্রান্তে নিজের খেলা ধরে খেলেন হজ। ৪৮ রানে আজহার মেহমুদ বিদায় নিলে কিছুটা চাপে খেলতে থাকে বরিশাল। ৬১ রানে অধিনায়ক ৩৪ রানে বিদায় নেন। এরপর ২১ রান যোগ করতেই আরও ৫ উইকেট উঠিয়ে নেয় চিটাগং কিংসের বোলাররা। শেষ পর্যন্ত ১০৮ রানেই থেমে যায় বরিশালের ইনিংস। চিটাগং কিংসের পক্ষে কুপার,এনামুল জুনিয়র এবং আরাফাত সানী ২টি করে উইকেট নিয়েছে। ১ উইকেট নিয়েছে রবি বোপারা। অলরাউন্ডারিং পারফরমেন্স-র জন্যে চিটাগং কিংসের রবি বোপারা ম্যান অব দা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন। চিটাগং কিংসের পরবর্তী ম্যাচ ২৮ তারিখ সিলেটে বিপক্ষে এবং বরিশালের পরবর্তী ম্যাচ একই দিনে দূরন্ত রাজশাহীর বিপক্ষে।