৮ ম্যাচের ৪টি জয় এবং ৪টি হার নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে চলে আসলো রাজশাহী। আজ মিরপুরের একঘন্টা পিছিয়ে দুপুর ৩.৩০ মিনিটে দূরন্ত রাজশাহীর মুখোমুখি হয় নবাগত রংপুর রাইডার্স। রংপুরের এটি সপ্তম ম্যাচ এবং রাজশাহীর অষ্টম। টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন রংপুর রাইডার্স। ২০ ওভার ব্যাটিং করে রংপুর স্কোর বোর্ডে ১৬৩ রান তুলতে সক্ষম হয়। সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন ওপেনার সামসুর রহমান। এটি সামসুর রহমানের বিপিএলের চুতর্থ অর্ধশত। ইনজুরি থেকে ফিরে প্রথমবারের মতো খেলতে নামে জুনায়েদ সিদ্দিক। পাওয়ার প্লে-র প্রথম ৬ ওভারে ৫৫ রান তুলতে সক্ষম হয় দ্ইু ওপেনার। জুনায়েদ দলীয় ৬০ রানে ফিরে গেলেও একপাশ ধরে খেলে সামসুর রহমান। নাসিরের সাথে খেওে দ্রুত ৫১ বলে ৫৫ রান তুলে নেন। ম্যাচের ১৬ তম ওভারে নাসির বলের সাথে পাল্লা দিয়ে খেলে ২৯ বলে ৩০ রান করে ফিরে যান। ৪৬ বলে ৪ চার ও ১ ছয়ে অর্ধশত রান পাওয়ার পর সামসুর রহমান ৫৭ বলে ৬৮ রান করে কাপুগেদারার থ্রোতে রানআউট হয়ে ফিরে যান। ৬টি চারের মার ও ১টি ছয় হাকান তিনি। ১৪৫ রানে সামসুর ফিরে যাবার পর রংপুর শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৬৩ রান করতে সক্ষম হয়। ২২ রানে ক্যামেরুন ভরগাস এবং ১০ রানে করে ডানজা হায়াত অপরাজিত থাকে। মুনাওয়াারা এবং মনির হোসেন ১টি করে উইকেট নেন। ১৬৪ রানের লক্ষে খেলতে নেমে দূরন্ত দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও চার্লস কভেন্ট্রি বোলারদের উপরে চড়াও হয়ে প্রথম ১০ ওভারে ৭৮ রান তুলে নেন। তামিম ৩৫ রান এবং কভেন্ট্রি ৪০ রান করেন। তবে সপ্তম ওভারে কেভিন ও ব্রায়েনের বলে পয়েন্টে কভেন্ট্রির ক্যাচ ছাড়েন ডানজা হায়াত। শেষ ৬০ বলে ৭৮ রানের বিপরীতে খেলে নেমে ১২ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তামিম ব্যক্তিগত ৫০ রানে তাপষ ঘোষের বলে লং অফে নাসিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। ৩৫ বলে অর্ধশত রান পেতে তামিম ৪টি চার ও ২টি ছয়ের মার মারেন। দলীয় ৯৫ রানে তামিমের বিদায়ের পর স্কোর বোর্ডে ১০ রান তুলতেই আরেক ওপেনার কভেন্ট্রি ৪৭ রানে রান আউটের শিকার হয়ে ফিরে যান। মুনাওয়ারা ৮ রানে ফিরে গেলে তখনও দূরন্তর ২৬ বলে ৩৩ রানে প্রয়োজন ছিল। সেই লক্ষে খেলতে নেমে রাজশাহী ৭ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে। নাসিরকে লং অনে ছয় মেরে জহিরুল দলের চতুর্থ জয় নিশ্চিত করে। ১৮ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে জহিরুল এবং ১১ বলে ১৪ রানে আরভিন অপরাজিত থাকে।