টেস্ট সিরিজ ড্র হবার পর ধারণা করা হচ্ছিল বাংলাদেশ রঙ্গিণ পোশাকে জ্বলে উঠবে। ধারণার সাথে কাজেরও বেশ মিল। ১২১ রানের জয়ই বলে দেয় তা।
প্রথমে ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়ে সফরকারীরা বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২৬৯ রান করে। নাসির হোসেন সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ১৪৮ রানে অলআউট। পেসার জিয়াউর রহমান ৫ উইকেট তুলে নেন। প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে তামিম ইকবালের ৩১ এবং আশরাফুলে ২৯ রানের উপর ভর করে উড়ন্ত সুযোগ পায় টাইগাররা। ৬৫ রানে তামিম ফিরে যাবার পর আশরাফুল ২৯ রান করে দলীয় ৭৫ রানে বিদায় নেন। ৭৫ থেকে ৯৪ পর্যন্ত যেতেই মুশফিক ৫ এবং সাকিব ১ রানে বিদায়। সেখান থেকে উদ্ধার করে ত্রাতা নাসির ও মমিনুল।
মমিনুল ও নাসির ৭৬ রানের জুটি গড়েন। মমিনুল ৩৮ রানে বিদায় নিলেও নাসির ক্যারিয়ারের চতুর্থ অর্ধশত রান পূরণ করেন । ৬৮ রানে ফিরে যাবার আগে ৭টি চার ও ১টি ছয়ের মার মারেন নাসির। শেষ দিকে মাহমুদুল্লাহ ৩৬ এবং আব্দুর রাজ্জাক ১৬ রান করলে বাংলাদেশ ২৭০ রানের টার্গেট দেয়। বোলিং করতে নেমে টাইগারদের প্রথম সাফল্য এনে দেন দলে ফেরা শফিউল ইসলাম। দ্বিতীয় ওভারে চাকাবাকে ও সিকান্দার রাজাকে ফিরান এই পেসার। ১৩ রানে ২ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়েকে উদ্ধার করেন হামিলটন মাসাকাদজা এবং ব্রেনডন টেইলর। তৃতীয় উইকেট জুটিতে এই দুই ব্যাটসম্যান ৬৫ রান যোগ করার পর টেইলরকে ফিরিয়ে দেন রাজ্জাক। ৭৪ রান থেকে ৯৩ রান পর্যন্ত যেতেই টাইগাররা আরও ৫ ব্যাটসম্যনাকে সাজঘরে পাঠান। ৯৩ রানে ৭ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ের পরাজয় তখন শুধু সময়ের মাত্র। লোয়ার অর্ডারে সিংগাই মাসাকাদজা ৩৩ রান করে পরাজয়ের ব্যবধান কমান মাত্র। ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন জিয়া।
ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন জিয়াউর রহমান।
