ওপেনার শামসুর রহমান শুভর ডাবল সেঞ্চুরিতে চালকের আসনে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন। ইষ্ট জোনের করা ৩০৩ রানের জবাবে ব্যাটিং করতেবিসিএল নেমে ওয়ালটন ছয় উইকেট ৪২৯ রান সংগ্রহ করেছে। ১২৬ রানের লিড নিয়েছে তারা।শুভর ঝড়ো ইনিংসে ছিল ২৪টি চার ও ৭টি ছয়ের মার। বিসিএল’র প্রথম আসরে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের হয়ে ডাবল সেঞ্চুরি করেন মার্শাল আইয়্যুব ও মেহরাব হোসেন জুনিয়র।২২৯ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন তিনি। তার সাথে ৩২ রানে  রয়েছেন ইলিয়াস সানী।এর আগে মাত্র ছয় রানের জন্যে শতক বঞ্চিত হন নুরুল হাসান সোহান। ৯৪ রানে অলোক কাপালির বলে স্ট্যাম্পিং হয়ে ফিরে গেছেন তিনি। ৮০ বলে ১৬ চারে সোহান ৯৪ রান করেন।দ্বিতীয় দিনের শুরুতে প্রথম দিনের ৩০১ রানের সাথে দ্্ুই রান যোগ করে অবশিষ্ট এক উইকেট হারায় ওয়ালটন। সেন্ট্রাল জোনের হয়ে একমাত্র উইকেটটি নেন পেসার শহীদ। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ঝড় তুলেন শুভ। মাত্র ২৬ বলে অর্ধশতক তুলে নেন।একদিকে সতীর্থরা আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দিলেও শুভ নিজের ব্যাটিং প্রতিভা দেখান। শাহরিয়ার নাফিস (২৩),মার্শাল (৪),মেহরাব (১২) ও মাহমুদুল্লাহ (১) ফিরে যান। সেখান থেকে রকিবুলকে সাথে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ৬৫ রান যোগ করেন শুভ। যার ২২ রান আসে রকিবুলের ব্যাট থেকে।রকিবুল ২২ রানে ফিরে যাবার শুভ ও উইকেট রক্ষক সোহান ইষ্ট জোনের বোলারদের উপর চেপে বসে। অল্প সময়ে এই দুই ব্যাটসম্যান ১৫৫ রানের জুটি গড়েন। ৯৪ রানে সোহান আউট হয়ে গেলেও ইলিয়াস সানীকে নিয়ে দিনের বাকি সময়টুকু পাড় করেন শুভ।অবশ্য দিনের শেষ ওভারের আগের ওভারে মুমিনুলের হাতে জীবন পান শুভ। মাশরাফির বল হাওয়ায় ভাসিয়ে দিলেও কভারে দাড়ানো মুমিনুল তা লুফে নিতে পারেনি।ইষ্ট জোনের হয়ে আলাউদ্দিন বাবু দুটি উইকেট নেন। একটি করে নেন মাশরাফি,ইয়াসিন আরাফাত,এনামুল হক জুনিয়র ও অলোক কাপালি।