রুবেল হোসেনকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে বাংলাদেশকে আরেকটি ইনিংস হারের লজ্জা দিল সফরকারী শ্রীলঙ্কা। ইনিংস ও ২৪৮ রানে জয় পেয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। এ নিয়ে অষ্টমবারের মতো বাংলাদেশকে ইনিংস হারের লজ্জা দিল শ্রীbd vs sriলঙ্কা।প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ২৫০ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে ৭৩০ রান জমা করে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্যে ৯ উইকেট প্রয়োজন ছিল লঙ্কানদের। কাজটাও সহজ করে দেয় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিলে দেড় দিন আগেই সিংহের জয় নিশ্চিত হয়। দলীয় ৩৫ রানে চতুর্থ দিন শুরু করে বাংলাদেশ। স্কোরে আর কোনো রান যোগ না করেই ইরাঙ্গার বলে চান্দিমালের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শামসুর (৯)। পরে মুমিনুল এবং মার্শাল ক্রিজে থিতু হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু দলীয় ৫০ রানে লাকমলের বলে আউট হয়ে যান মার্শাল আইয়ুব (১৮)।এরপর ব্যক্তিগত খাতায় ২৫ রান যোগ করে সাজঘরে সাকিব আল হাসান। ৩২ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে ২৫ রান করে পারেরার বলে আউট হন তিনি। এলবিডব্লিউর শিকার হন সাকিব।সাকিবের বিদায়ের পর এক প্রান্ত ধরে খেলে ক্যারিয়ারের তৃতীয় অর্ধশতক হাঁকান মুমিনুল হক। তবে ইনিংসটি বড় করতে পারেননি তিনি। ৫০ রানে থেমে যায় তার ইনিংস। ৫৭ বলে ৮ চারে ইনিংসটি সাজান তিনি। দিলরুয়ান পারেরার বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন তিনি।ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন মুশফিকুর রহিম। দিলরুয়ান পারেরার বলে সরাসরি বোল্ড হন টাইগার দলপতি। ১৪ রান আসে তার ব্যাট থেকে।  এরপর আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি লঙ্কানদের। জয়ের অপেক্ষায় থাকা শ্রীলঙ্কা শিবিরে সামান্য সময়ের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ান নাসির হোসেন (২৯), সোহাগ গাজী (২৩) ও আল-আমিন হোসেন (৩২)। ব্যতিক্রমী আল-আমিন হোসেন ১৮ বলে ৪টি ছয় হাঁকিয়ে বাংলাদেশের গ্যালারি মাতিয়ে রাখেন।ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনে। ২০৩ রানের ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে একাই রানের পাহাড়ে আটকে দেন তিনি।