ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল ইন্ডিয়ান টিভির সাংবাদিকের গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়া বাংলাদেশি আম্পায়ার নাদির শাহ অর্থের বিনিময়ে যে কোন পর্যায়ে ফিক্সিংয়ে অংশ নিতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। ২০১২ সালের ৮ অক্টোবর ইন্ডিয়ান টিভি এই খবরটি  প্রচার করে। এরপরই আইসিসি বাংলাদেশ সহ পাকিস্তান এবং শ্রীলংকান ছয় আম্পায়ারকে সাময়িক নিষিদ্ধ করে।

নাদির শাহ-র বিষয়ে তদন্ত করার উদ্দেশ্যে বিসিবি নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি তাদের সুপারিশসহ বিসিবি বরাবর প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কমিটির প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করেই বিসিবি নাদির শাহকে দশ বছরের জন্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

আম্পায়ার শরফুদৌলা ইবনে শহীদ সৈকত বিসিবির অধীনে ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন । জুলাই-অগাস্ট মাসে একটি কোম্পানির প্রতিনিধির নাম করে আম্পায়ারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন ইন্ডিয়ান টিভির ওই সাংবাদিক। নাদির শাহর সাথে বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকেও প্রস্তাব দিয়েছিল ওই সাংবাদিক, তবে তিনি কোনো অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি হয়নি সেটা অবশ্য টেলিভিশন চ্যানেলটি জানিয়ে দিয়েছিল।