রেকর্ড ভাঙ্গবে গড়বে এটাই স্বাভাবিক। যেমন ধরেন ত্রিকেটের শতকের শতক গড়াটা খুব কঠিন। কিন্তু সেটা ভাঙ্গাটা আরও কঠিন কাজ হবে। আবার ফুটবলে এক বছরের সর্বাধিক গোলের রেকর্ডটাও ভাঙ্গাটাও বেশ কঠিন
কাজ। কিন্তু সেই কাজটাই করে দেখাতে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন লীওনেল মেসি। অনেকেই তাকে ধরে নেন রেকর্ডের মাস্টার। গত রবিবার রাতে যে রেকর্ডটি তিনি গড়েছেন সেগুলো অন্য সবগুলোকে ছাপিয়ে গেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফুটবলের রাজা ব্রাজিলিয়ান স্টার পেলের গড়া এক বছরের সর্বাধিক রেকর্ডটিকে ছাড়িয়ে গেলেন তিনি। ১১ই নভেম্বর ২০১২, রবিবার রাতে এই আর্জেনটাইন সুপার স্টার বার্সেলোনার হয়ে মায়োর্কার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে ভেঙ্গেছেন সেই রেকর্ড।
জোড়া এই গোলের সুবাধে বার্সার হয়ে ও জাতীয় দলের জার্সিতে এক বছরে মেসির গোল সংখ্যা দাড়ালো ৭৬। যা এক বছরে মেসির দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যক্তিগত গোলের রেকর্ড। আর সর্বচ্চ গোল করে এখনও সবার উপরে আছেন জার্মানির সাবেক তারকা গার্ড মুলার। ক্লাব ও জাতীয় দলে হয়ে ২০১২ সালে মোট গোল করেছেরন ৭৬ টি। যার মধ্যে বার্সার জার্সিতে ৬৪ টি আর বাকি ১২ টি জাতীয় দলে হয়ে। যে গতিতে মেসি এগুচ্ছেন তাতে তো মনে হয় না গার্ড মুলারের রেকর্ডটিও বেশী দিন অক্ষত থাকবে। গার্ড মুলারকে টপকাতে লাগবে ১০ গোল । আর স্প্যানিশ লা লীগায় মৌসুমের শুরম্ন থেকে এখনও করেছেন মোট ১৫ গোল। আর চ্যাম্পিয়নস লীগে আছে মোট ৫ গোল। আর তার চির প্রতিদ্বন্দী রোনালদো লীগে ১২ গোল করে তার পিছনেই আছেন। মেসির সামনে এখনও ১১টি ম্যাচ রয়েছে। লা লীগায় ৬টি, কোপা দেল রে কাপে ৩টি, আর জাতীয় দলের জার্সিতে নামবেন দুটি ম্যাচ খেলতে। ১১ম্যাচে ৯টি গোল করলেই মুলারকে ধরে ফেলবেন তিনি। পেলেকে ছড়ানোর পর শিষ্য মেসিকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্সার কোচ টিটো ভিলানোভা বলেন, “লিওর রেকর্ডটি দর্শনীয়। লিও যেভাবে গোল করে চলছে তা অনবদ্য। এই কৃতি গড়তে অনেকের সাত/আটটি মৌসুম ও লাগতে পারে। কিন্তু তার পক্ষে এক মৌসুমেই সম্ভব ।”