বিপিএলের প্রথম সেমিতে আজ সন্ধ্যা ৬টায় মুখোমুখি হয় দুই জায়ান্ট রাজশাহী ও চিটাগং কিংস। টসে জয় লাভ করে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মুক্তার আলী। ২০ ওভার ব্যাটিং করে দূরন্তর সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১০৭ রান। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে চিটাগং কিংস ১৬ বল হাতে রেখে ৪– উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
ওপেনার কনভেন্ট্রি আর ক্যাটিচ তো কিছুই করতে পারলেন না। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে দলের ১৬ রানেই আর নিজের ১৫ রানে কভেন্ট্রি বোল্ড। দ্বিতীয় ওভারে ১ রান বাড়ার পর ক্যাটিচ ক্যাচ উঠিয়ে ফিরে গেলেন। মিডল অর্ডারে মুনাওয়াার আর জহুরুল যেভাবে ফেরত গেলেন ১২ এবং১ রানে। মিডল অর্ডারে অরভিন ছিলেন রাজশাহীর জন্য অপ্রতিরোধ্য। রাজশাহীকে অল্প রানে অলআউটের হাত থেকে রেহাই দিয়েছেন। ৪৭ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকে। সাথে কাউকে যোগ্য না পাওয়াতেই মূলত রাজশাহী রান খরার শিকার।
ফরহাদ হোসেন ৫, জিয়াউর রহমান শূণ্য রানে বিদায় নেন। তাসকিন ৪টি, মাহমুদুল্লাহ ২টি আর ওরাম ১ উইকেট শিকার করেন। তাসকিন আহমেদ ৩ ওভার বোলিং করে ৪ উইকেট সংগ্রহ করে। ৫ম ব্যাটসম্যান হিসাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৮ বলে ৪৭ রানে অরভিন শেষ অবদি চিটাগাং কিংসদের সামনে মাথা নত না করে অপরাজিত থেকে ফিরলেন। লো স্কোরিং ম্যাচে মাত্র ১০৮ রান তাড়া করতে নেমে চিটাগং কিংস ৪৩ রানের জুটি গড়ে দুই ওপেনার রয় এবং নুরুল হাসান সোহান। রাজশাহীর সাথে আগের ম্যাচে ৯২ রানের সুখস্মৃতি নিয়ে আজও রয় ৩ চার ও ২ ছয়ে দ্রুত ৩০ রান তুলে নেন। নাঈম ইসলাম জুনিয়রের বলে এলবিডাব্লিউ-র ফাদে পরে ফিরে যান। ১৩ রান যোগ করতে রাজশাহী নুরুল হাসান(১৪) ও রায়ান টেন ডয়েসকেট (১) ফিরে যান। দ্রুত তিন উইকেট তুলে নিয়ে ব্যাটসম্যানদের রানের গতিকে কমিয়ে আনেন বোলাররা। ১০ ওভারে চিটাগং-র সংগ্রহ ৬৪ রান।
রান তোলার গতি কমে আসায় ব্যাটসম্যানরা উইকেট ছেড়ে এসেছে। তের তম ওভারে ১৬ বলে ৭ রান করা মাহমুুদুল্লাহ ফিরে যান। এক ওভার বাদেই আরিফুলের(৭) বিদায়। ৮৬ রানে আরিফুলের বিদায়ের পর ৮৭ রানে কুপার রান আউটের কবলে পড়ে বিদায় নেন। কুপারের বিদায়ের পর ৩৩ বলে ২১ রানের বিপরীতে খেলতে নেমে জ্যাকব ওরাম ও বোপার ১৬ বল হাতে রেখে দলের জয় নিশ্চিত করে। বোপরা ৩০ বলে ৩৪ রান করে এবং ওরাম ৮ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকে।
৪ উইকেটে চিটাগং কিংসের জয়