১৯৯৮ সালে ঢাকায় ’আইসিসি মিনি বিশ্বকাপ’ নামে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির যে যাত্রা শুরু করেছিল তা রবিবার ভারত-ইংল্যান্ড ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে সমাপ্তি টানবার কথা ছিল। ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু সপ্তম আসরের পর অষ্টম আসরও ঠেলে সাজানোর পরিকল্পনা করছে ক্রিকেটের কর্তা আইসিসি। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিক ইনফোকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আইসিসির এক কর্তা
বলেন, আইসিসি এই মুহূর্তে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ব্যাপারেই নাকি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। তিন জাতির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ক্রিকেট-বিশ্বে কতটা আলোড়ন তুলতে পারবে, এ নিয়ে সন্দিহান তারা।’ মূলত তিন জাতি নিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত আইসিসি। সে কারণেই ওয়ানডের শীর্ষ আট দলের পরিবর্তে টেস্ট খেলুড়ে সকল দেশকেই অন্তর্ভূক্ত করে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক আইসিসি। ‘নক আউট বিশ্বকাপ’ নামে ১৯৯৮ সালে ঢাকায় শুরু হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। প্রথম দুটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই ফরম্যাটে। ২০০২ সালে নাম পরিবর্তন করে প্রতিযোগিতাটি হয়ে যায় ‘চ্যাম্পিয়নস ট্রফি’। ২০০০, ২০০২ ও ২০০৪ সালে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর সঙ্গে অংশ নিয়েছিল সহযোগী দেশগুলো। ২০০৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতাটি হয়ে যায় কেবল টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর লড়াই। ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় এবং এবার ব্রিটেনে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজিত হলো ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের সেরা আট দেশকে নিয়ে।