টি-২০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জাতীয় দল ও ‘এ’ দল নিয়ে আয়োজন করে টি-২০ চ্যালেঞ্জ কাপ। জাতীয় দল একে একে তিনটি ম্যাচ হেরে সিরিজ পরাজিত হয়। ‘এ’ দলের সামনে দাঁড়াতে পারেনি মুশফিক-মাহমুদুল্লাহরা। প্রথম ম্যাচে ১২ রানে, দ্বিতীয় ম্যাচে ছয় উইকেটে ও তৃতীয় ম্যাচে আট উইকেটে জয় পেয়ে জাতীয় দলকে ধবলধোলাই করেছে নাসিররা। চ্যালেঞ্জ কাপ শেষে সিরিজ নিয়ে জাতীয় দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ও ‘এ’ দলের অধিনায়ক নাসির হোসেন নিজেদের ভাবনার কথা জানান। নাসির নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,‘জাতীয় দল একটু হাল্কা মেজাজে খেলেছে। মনে হচ্ছে না সম্পূর্ণ মনযোগ ছিল। অন্যদিকে ‘এ’ দল জাতীয় দলকে হারানোর জন্যে সবটুকু করেছে। আমার মনে হয়ে মনযোগের বিষয়টা পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’ তবে এ বিষয়ে জাতীয় দলের অধিনায়ক মুশফিক বলেন,‘কার সাথে খেলছি সেটা বড় কথা না। আমরা সব সময় জয়ের জন্যে মাঠে নামি। তবে ‘এ’ দল বেশ ভালো খেলেছে। ওই দলে জাতীয় দলের অনেক খেলোয়াড় আছে যারা পারফর্ম করেছে।’ টি-২০ ম্যাচ আয়োজনের বিষয়টিকে তুলে ধরে মুশফিক বলেন, ‘বিশ্বকাপে আমাদেরকে প্রথম রাউন্ড খেলতে হবে। সেক্ষেত্রে বেশি ম্যাচ খেলা আমাদের জন্য অনেক ভালো ব্যাপার। তাই আরো বেশি বেশি টুর্নামেন্ট দরকার। সেক্ষেত্রে নতুন প্লেয়ারদের পরীক্ষার একটি সুযোগও থাকবে।’ নাসির বলেন,‘এই ম্যাচগুলোর মতো আরও অনেক ম্যাচ আমাদেরকে খেলতে হবে। বিশ্বকাপ নিয়ে এতোটা চিন্তিত না। সাফল্য আসবেই।’ নিজের অধিনায়কত্ব নিয়ে নাসির হোসেন বলেন,‘অধিনায়কত্বের থেকে এই সিরিজে বেশি অবদান রেখেছে খেলোয়াড়রা। আমি আমার মতো চেষ্টা করেছি কিভাবে মাঠটা চলানো যায়। মূলত পারফর্ম করেছে প্লেয়াররা। জাতীয় দলের খেলায় কি গ্যাপ ছিলো এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,‘ওরা ফিনিশিং ভালো করেছে। মাঝ খানে হয়তো ওদের দুই-তিনটি উইকেট পরে গিয়েছে। এক সময় মনে করেছি জাতীয় দল দুইশ পনের বিশ পার হয়ে যাবে। আবার এক সময় মনে হলো না ওদের একশ ষাট রানের মধ্যে রাখা যাবে।’ অন্যদিকে মুশফিক নিজের বোলারদের দুষিয়ে বলেন,‘এক বছরে আমাদের যে সমস্যাটা ছিলো সেটা হলেও ব্যাটিং নিয়ে। তারপরও আমরা ১৭০/৮০ এর উপরে রান করেছি। আমাদের যে সমস্যা সেটা হলে ডেড বোলিং ও ফাস্ট বোলিং নিয়ে। এই সব উইকেটে বোলাররা একটু রান দিবেই। তারপরও আর একটু চেষ্টা করবো রান কম দেয়ার। যেসব দুর্বল দিকগুলো আছে সেগুলো ঠিক করার জন্য আমাদের কাছে যথেষ্ট সময় আছে।’