ক্রিকেটের সব আয়োজন পূর্ণ করলো বাংলাদেশ। ১৯৮৮ সালে এশিয়া কাপ দিয়ে শুরু। এরপর বিশ্বকাপ এবং সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সফল আয়োজক হিসেবে বিশ্ব মিডিয়ায় বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে লাল-সবুজের দেশ। একই সাথে আইসিসি আয়োজিত সকল ইভেন্ট আয়োজন করার রেকর্ডও গড়লো বাংলাদেশ।
প্রথমবারের মতো ১৯৮৮ সালে এশিয়া কাপ আয়োজন করে বাংলাদেশ। বাংলার মাটিতে সেসময়ে এটি সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট এবং যার সফল আয়োজক বাংলদেশ। এরপর ১৯৯৮ সালে টেস্টভুক্ত দেশগুলোকে নিয়ে বসে নক আউট পর্বের আইসিসি বিশ্বকাপ। তবে সেবার বাংলাদেশ অংশ নিতে পারেনি। টেস্ট স্ট্যাটাস না পাওয়া স্বাগতিক হয়ে দর্শক হয়ে থাকতে হয়েছে বাংলাদেশকে। একই বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানকে নিয়ে আয়োজন করা হয় ইন্ডিপেনডেন্স কাপ। পরের বছর এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করে বাংলাদেশ এবং ২০০০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের আয়োজক বাংলাদেশ। চারবছর পর ২০০৪ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজক বাংলাদেশ। অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের একক আয়োজক বাংলাদেশ। ২০১১ সালে ভারত, শ্রীলঙ্কার সাথে ওয়ানডে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক বাংলাদেশ। একই সাথে বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের বেশ কয়েকটি ম্যাচ বাংলাদেশে আয়োজন করে বিশ্বে আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের নাম প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ২০১২ সালে তৃতীয়বারের মতো এবং ২০১৪ সালে চতুর্থবারের মতো এশিয়া কাপের আয়োজন করে বাংলাদেশ। বাকি ছিল শুধু টি-টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপ। সেটাও এবার পূর্ণ হলো। পুরুষ ও মহিলাদের মিলিয়ে ২৬ দলকে নিয়ে ক্রিকেটের এতো বড় আসর এর আগে কোন দেশ করেনি। যেটা করে দেখাল বাংলাদেশ। তিনটি ভেন্যুতে এবারের বিশ্বকাপ আয়োজন হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট। ২২ দিনের মহাযঙ্ঘের আসর শেষ হয়েছে গত রোববার। আর এর মধ্য দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে বাংলাদেশ। ভবিষ্যতেও এর চেয়েও বড় ইভেন্ট আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আইসিসির যেকোন টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্যে প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি)র সভাপতি অ্যালান আইজ্যাককে এমনটিই জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী। ১৯৯৯ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে অভিষেক এবং ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পাবার পর থেকে বাংলাদেশে টেস্ট ও ওয়ানডে ম্যাচের ছড়াছড়ি।