মিরপুরে দুপুরে সভাপতি নাজমুল হাসান পাপণ পাকিস্তানীদের না আসার বিষয়টিকে চ্যালেণ্জ হিসেবে নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা যদি পাকিস্তানে দল না পাঠাই তাহলে পাকিস্তানী বোর্ড খেলোয়াড়দের বাংলাদেশে খেলার অনুমতি দিবে না। আমরা পাকিস্তানীদের ছাড়াই বিপিএল খেলা চালিয়ে যাবো। আগামীকাল আমদের উদ্ধোধন হবে এবং ১৮ তারিখ খেলা শুরু হবে।”
গতকাল(মঙ্গলবার) রাতে বিসিবি কমিটির সিদ্ধান্ত হয় পাকিস্তানী খেলোয়াড়দের অংশগ্রহনের বিষটিয় নিশ্চয়তা চেয়ে বিসিবি একটি মেইল করেছে। যাতে আজ(বুধবার) সকাল ১০টা মধ্যে একটি আল্টিমেটাম দেয়া হয়। কিন্তু পাকিস্তান আজ সকালের মধ্যে কোন মেইল পাঠায়নি। বিসিবি সকারে দ্বিতীয় বারের মতো একটি মেইল পাঠালেও তাতে পাকিস্তানী বোর্ডেও কোন জবাব পাওয়া যায়নি। দুপুর ২টার পর বিসিবিতে পাকিস্তনের থেকে একটি মেইল পেয়েই নিশ্চিত হয় পাকিস্তানীরা আসছে না। এ নিয়ে বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, সকাল দশটা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর আমরা সিদ্ধান্ত নেই পাকিন্তানীদের ছাড়াই আমরা বিপিএল শুরু করব। অনানুষ্ঠানিক ভাবে পিসিবি সিওও সোহবান আহমেদ আমাদের ফোনে জানিয়েছেন, আমরা পাকিস্তানে বাংলাদেশ দলকে না পাঠাই তাহলে তারা তাদের ক্রিকেটারদের বাংলাদেশে খেলার অনুমতি দিচ্ছে না।
এছাড়া পাকিস্তানে দ্বিতীয়বার নিরাপত্তা প্রতিনিধি দল পাঠানো বিষটিতে পাকিস্তনের সভাপতি জাকা আশরাফের না করার বিষয়টিকে নিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ যাবে পাকিস্তানে, তাই আমাদের দল যে দেশে যাবে সে দেশে যদি নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দল পাঠানো দরকার বলে মনে হয়, তাহলে অবশই যাবে। আমরা মনে করি এখন পাকিস্তানে যে পরিস্থিতি সেটা একবছর আগে চেয়ে কোন উন্নতি তো হয়ইনি। বরং খারাপ হয়েছে। এ কারনেই আমরা দল পাঠাতে পারলাম না বলে জানিয়ে ছিলাম পিসিবিকে। আমরা যদি মনে করি দল পাঠাবো তাহলে অবশ্যই আমাদের দ্বিতীয় আর পর্যবেক্ষক দলের রিপোর্টেও উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্তটা নিতে হবে দল পাঠাবো কি পাঠাবো না।’
পাকিস্তানী খেলোয়াড়দের অংশ্রগ্রহণ না নিলেও নিলামে অবিক্রিত ও নতুন করে অনেক মুখ অন্তভূক্তি হচ্ছে দলে। এ নিয়ে সভাপতি বলেন, ‘আমরা বিকল্প যে ক্রিকেটার এনেছি তারা পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের তুলনায় মানের দিক থেকে কোন ভাবেই নিচে নয়। যেমন বলতে পারি কিরণ পোলার্ড কথা বলেলছেন। শ্রীলঙ্কা সহ ৫টি দেশ থেকে ক্রিকেটার আসছে। মানের দিক থেকে দুই বা এক জন হতে পারে খারাপ। আমি মনে করি না কোন সমসা হবে। ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলো ক্ষতির মুখোমুখি হতে পারে, আমরাও হতে পারি। এখন আমরা সেটা দেখছি না। আমরা মনে করছি আমাদের উপর একটি চ্যালেঞ্জ ছূঁড়ে দেয়া হয়েছে। আমরা সেটা গ্রহন করেছি। এখন যদি পাকিস্তান আবার তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনও করে আমরা পাকিস্তান ক্রিকেটার গ্রহন করব না।