চারবার জীবন পেয়ে বাংলাদেশকে রানের চাপে একাই ফেলেন শ্রীলঙ্কান ওপেনার কুশল সিলভা। ২৩২ রানের জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে দ্বিতীয় দিন শেষে শ্রীলঙ্কা ৫ উইকেটে ৩৭৫ রান সংগ্রহ করেছে। ১৪৩ রানের লিড নিয়েছে অতিথি
রা। ক্যারিয়ারের প্রথম শতক হাকানোর আগে তিনবার ও শতকের পর একবার জীবন পান সিলভা। সাকিবের বলে সাজঘরে ফিরে আসার আগে স্কোরবোর্ডে একাই যোগ করেন ১৩৯ রান। অবশ্য ৩৯ রানেই প্রথম জীবনটি পেয়েছিলেন তিনি। ব্যাক্তিগত ৩৯ রানে আল-আমিনের বলে সিলভার সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন টাইগার অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ১ রান যোগ হতেই আল-আমিনের বলে আবারো ক্যাচ দেন সিলভা। মুশফিকুর রহিমও ক্যাচ লুফে নেন। ব্যাটসম্যান সিলভাও সাজঘরের পথে এগুতে থাকেন। সেই সময় আম্পায়াররা তৃতীয় আম্পায়ারের শরণাপন্ন হন। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল ডেলিভারির সময় পা দিয়ে উইকেট ভেঙে দিয়েছেন আল-আমিন। আম্পায়াররা ‘নো বল’ কল করেন। এতে দ্বিতীয়বারের মতো জীবন পান সিলভা। পরের ওভারে ফিরে আল-আমিনের বলে আবারও ক্যাচ তুলে দেন সিলভা। দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ তার তালুবন্দি করতে পারেনিনি শামসুর রহমান শুভ। সে সময়ে ৪২ রানে ছিলেন তিনি। এরপর টাইগারদের আর কোন সুযোগ দেননি কুশল। ২৪৪ বলে ১৩৯ রান করেন কুশল সিলভা। ১৬টি চার ও ৪টি ছয় হাকান এই ওপেনার। লঙ্কান শিবিরে প্রথম আঘাত করেন সাকিব। দলীয় ১১৮ রানে প্রথমে সাজঘরে ফিরেন দিমুখ করুনারতেœ। ৫৩ রান করেন তিনি। অর্ধশতক তুলে নেবার পর সাকিবের বলে মিড অফে রবিউল ইসলামের বলে তালুবন্দি হন করুনারত্নে। উদ্ধোধনী জুটি ভাঙ্গনের পর দ্বিতীয় উইকেটে কুশল সিলভা ও সাঙ্গাকারা ১৫৫ রানের জুটি গড়েন। এরপর নতুন বল নিয়ে সাঙ্গাকারাকে ফিরিয়ে স্বস্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসেন আল-আমিন হোসেন। ৭৫ রান আসে সাঙ্গাকারার ব্যাট থেকে। আল-আমিন হোসেনের বলে প্রথম স্লিপে নাসিরের তালুবন্দি হন শ্রীলঙ্কার সাবেক এই অধিনায়ক। ১৮২ বলে ৯টি চারে ৭৫ রানের ইনিংসটি সাজান সাঙ্গাকারা। শেষ বিকেলে এরপর চলে সাকিবের ঘূর্ণি। দ্রুত ফিরিয়ে দেন দিনেশ চান্দিমালকে (৪০)। চান্দিামাল সাজঘরে ফিরে যাবার পর নাইট ওয়াচ ম্যান হিসেবে ক্রিজে আসেন লাকমাল। তাকেও টিকতে দেননি স্পিনার সোহাগ গাজী। দিনের শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন লাকমাল। শেষ পর্যন্ত জয়াবর্ধনে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের হয়ে সাকিব ৯৪ রানে ৪ উইকেট নেন। এছাড়া সোহাগ গাজী ও আল-আমিন হোসেন ১টি করে উইকেট নেন।