st last testশচীন রমেশ টেন্ডুলকার ক্যারিয়ারের ২০০তম টেস্ট খেলে শনিবার চোখে জলে বিদায় জানালেন ক্রিকেট অঙ্গনকে। ১৯৮৯ সালে ১৫ নভেম্বর। পাকিস্তানের বিপক্ষে ড্র দিয়ে ক্যারিয়ারের অভিষেক শচীনের। এরপর ২৪টি বছর পাড় করলেন ২২ গজের ক্রিজে।  ড্র দিয়ে ক্যারিয়ার ‍শুরু হলেও জয় দিয়ে বীরের বেশে মাঠ ছাড়লেন ভারতের ব্যাটিং জিনিয়াস শচীন। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টেও ভারত ইনিংস ব্যবধানে জিতে নিলেন। এক ইনিংস হাতে রেখে ভারত ১২৬ রানে ম্যাচ জিতে নেন। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার সময় স্টেডিয়ামের সকল দর্শক দাঁড়িয়ে সেলুট করে শচীনকে বিদায় জানালেন। ভারতের বর্তামন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনী ও ভিরাট কোহলীর কাঁধে চড়ে পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করেন শচীন। মাঠ ছাড়ার সময় সেই চিরচেনা বিনয় নিয়ে দর্শকদের অভিবাদনের জবাব দিতে মাঝে মাঝে মাথা তুলছিলেন শচীন। ম্যাচ শেষে দর্শকদের উদ্দেশ্যে কথা বলতে গিয়ে বারবার চোখে জল আসছিল তাঁর। শচীনের কণ্ঠে একেরপর এক কৃতজ্ঞতা। ধন্যবাদ জানালেন বাবা-মা, চাচা-চাচী, দর্শক, গণমাধ্যম, সহকর্মী, স্ত্রী-সন্তান থেকে শুরু করে এই দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে জড়িয়ে থাকা প্রত্যেকটি মানুষকে। শচীনের পাশে তার পুরো পরিবার, স্ত্রী অঞ্জলী, মেয়ে সারা আর ছেলে অর্জুন। এ ক্রিকেট মহানায়ক টেস্ট ম্যাচের মাঠ থেকে বিদায় নেয়ার সময় নিজে কাঁদলেন, কাঁদালেন লাখ দর্শক ভক্ত ক্রিকেটপ্রেমীকে। শচীনের টেস্ট ক্যারিয়ারের এ শেষ ম্যাচে ওয়েস্টইন্ডিজকে ইনিংস ও ১২৬ রানে হারিয়েছে ভারত। শেষ টেস্টে শচীন করেছেন ৭৪ রান। বল হাতে ২ ওভারে দিয়েছেন ৮ রান। ৭ উইকেট হাতে রেখে টেস্টের তৃতীয় দিনে মাঠে নামে ক্যরিবীয়রা। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১১৩ রান করে সাত উইকেট খুইয়ে ফেলে তারা। এর আগে   মুম্বাইয়ের ওয়াংখেরে স্টেডিয়ামে শচীনের শেষ ইনিংসটি থামে ৭৪ রানে। ৭৪ রানের মাথায় এন ডেওনারিনের বলে স্লিপে থাকা ড্যারেন সামির হাতে ক্যাচ দেন শচীন। ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচে ইতিহাস হলো ৭৪ রান একই সঙ্গে ইতিহাসে স্থান করলেন ডেওনারিন, ড্যারেন সামি আর ওয়াংখেরে।