bd vs s314বাংলাদেশের বার বার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডে ৬১ রানে জিতে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এই জয়ের পাশাপাশি সিরিজও ২-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে লঙ্কানরা। বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন কয়েকটি জুটি গড়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও সেই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে উইকেটে হারানোর পর ২২৮ রানে সবকটি উইকেট হারায় তারা। বাংলাদেশের পক্ষে মুশফিকুর রহিম সর্বোচ্চ ৭৯ রান করেন। এছাড়া আনামুল হক ৪২ রান করেন। শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন মেন্ডিস, মালিঙ্গা, সেনানায়েকে ও পেরেরা। এর আগে টস জিতে সফরকারী শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে ২৮৯ রান সংগ্রহ করে। শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ১২৮ রান করেন কুমার সাঙ্গাকারা। এটি তার ক্যারিয়ারের ১৭তম এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে চতুর্থ শতক। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬০ রান আসে আশান প্রিয়াঞ্জনের ব্যাট থেকে।  এছাড়া অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ৫৬ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে রুবেল হোসেন ৩ উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট নেন সোহাগ গাজী, সাকিব আল হাসান ও আরাফাত সানী। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই লঙ্কান শিবিরে আঘাত করেন পেসার রুবেল হোসেন। রুবেলের বলে সাজঘরে ফিরেন কুশল পারেরা। দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে পয়েন্টের উপর দিয়ে তুলে মারতে গিয়ে শামসুর রহমানের তালুবন্দিন হন ৭ বলে ২ চারে ৮ রান করা কুশল। এরপর দিলশান এবং সাঙ্গাকারা মিলে ভালো একটা ভিত গড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যক্তিগত ৮ রানে রুবেলের বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান দিলশান (৮)। তৃতীয় উইকেটটি নেন অফ স্পিনার সোহাগ গাজী। গাজীর বলে শামসুরের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন দিনেশ চান্দিমালও (৯)। চতুর্থ উইকেটে ঘুরে দাড়ায় শ্রীলঙ্কা। চতুর্থ উইকেট কুমার সাঙ্গাকারা ও আশান প্রিয়াঞ্জন দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। এই জুটি ভাঙ্গেন সাকিব আল হাসান। দলীয় ১৭৭ রানে প্রিয়াঞ্জনকে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে ফেলেন সাকিব। ৯৭ বলে ৭ চারে ৬০ রান করেন আশান প্রিয়াঞ্জন। অবশ্য ব্যক্তিগত ২ রানে নাসিরের হাতে জীবন পান তিনি। বোলার ছিলেন সোহাগ গাজী। টেস্টে সিরিজের ট্রিপল সেঞ্চুরিয়ান সাঙ্গাকারা ওয়ানডেতে শতক বিহীন থাকবেন ! বিষয়টি নামের সাথে বেমানান। সঙ্গীর বিদায়ের পর ম্যাথুসকে সাথে নিয়ে শতক পূর্ণ করেন তিনি। একদিনের ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে সাঙ্গাকারার সর্বোচ্চ রান ছিল ১২১। বৃহস্পতিবার ১২৮ রান করেন তিনি।ক্যারিয়ারের ১৭তম এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে চতুর্থ শতক হাকিয়ে ১২৮ রানে মাহমুদুল্লাহর অসাধরণ ক্যাচে পরিণত হন সাঙ্গাকারা।  বোলার ছিলেন আরাফাত সানী। পঞ্চম উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যান ৫৮ বলে ৮৩ রান করেন। সাঙ্গাকারার বিদায়ের পরের ওভারেই রুবেল হোসেন টিকতে দেননি থিসারা পারেরাকে। শেষ পর্যন্ত ম্যাথুসের ৫৭ ও কিথুরুয়ান ভিথানাগের ১২ রানের অপরাজিত ইনিংসে ২৮৯ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা।