ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের জন্য আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দলের স্কোয়াড ঘোষণা করতে হবে ২৩ মের মধ্যে। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বাকি দল গুলোর মতো বাংলাদেশ দলও সেরে নিচ্ছে নিজেদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বিশ্বকাপের জন্য আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে টাইগারদের প্রস্তুতি ক্যাম্প। এর আগেই হয়ত ঘোষণা হয়ে যাবে বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ স্কোয়াড। তাই শেষ মুহূর্তে দল নির্বাচন নিয়ে চলছে বিভিন্ন রকম শলা-পরামর্শ। এই যেমন গতকাল(রবিবার) শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আবাহনী বনাম রূপগঞ্জের খেলা শেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান দুই নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও হাবিবুল বাশার বসেছিলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে। এদের সাথে ছিলেন আবাহনীর কোচ এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনও।

অধিনায়ক মাশরাফির নির্বাচকদের সঙ্গে কি নিয়ে কথা হচ্ছিলো এই ব্যাপারে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের জানান খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, ‘এমনি কথা হচ্ছিল, অধিনায়ক কী রকম দল দেখতে চান- এই ব্যাপারে। বিশেষ কিছু না আসলে। নান্নু ভাইরাও এসেছেন একই কারণে। জাতীয় দলের অনেক ক্রিকেটার পারফর্ম করছে না। ফর্মে নেই অনেকে। তবে জাতীয় দলে যারা খেলছে তাদের নিয়ে তো সন্দেহ নেই। তাদের অভিজ্ঞতা আছে বিদেশের মাটিতে খেলার এটাই অনেক। সেগুলো তো বিবেচনা হবেই। এসব নিয়েই আলোচনা হলো। কে কেমন করছে, এ ছাড়া আর কিছুই না।’

প্রায় পাঁচ বছর বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেছে খালেদ মাহমুদ সুজন। কিন্তু হটাৎ করেই বাংলাদেশ দলের নিউজিল্যান্ড সফরে ম্যানেজার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেননি তিনি। সামনে যেহেতু ক্রিকেট বিশ্বকাপ তাই বিসিবিপাড়ায় নানা কথা হচ্ছে কে হবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার।

বিশ্বকাপে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করা নিয়ে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘আসলে এটা একটা চাকরির মতোই। আমি চার থেকে সাড়ে চার বছরের মতো ম্যানেজার ছিলাম। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত কিছু সমস্যা আছে। যদি না থাকে তাহলে আমি যাব। তবে যদি না হয় তাহলে আমার জন্য কঠিন হবে। আমার কাজের কিছু ব্যস্ততা আছে। বাংলাদেশের জন্য খেলেছি, অধিনায়ক ছিলাম এক সময়, ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছি। এটা সম্মানের একটা ব্যাপার। কিন্তু আমার নিজেরও। ব্যক্তিগত ব্যাপারগুলো একটু গুরুত্বপূর্ণ।‘