মিরপুরের টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে দূরন্ত রাজশাহী সিলেট রয়েলকে ১৪৭ রানে আটকিয়ে দেয়। ১৪৮ রানে সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে তামিম বিহীন রাজশাহী  মাত্র ৩.৪ বলে ৩৮ রান তুলে নেন দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যান মুনাওয়ারা এবং কভেন্ট্রি। দলীয় ৩৮ রানে প্রথমে চার্লস কভেন্ট্রিকে ২০ রানে ও ৫১ রানে আরেক ওপেনার মুনাওয়ারা ২১ রানে ফিরে যান। ৫১ রান থেকে ৫৮ রান পর্যন্ত যেতেই আরও দুই উইকেট হারিয়ে বসে রাজশাহী। কাপুদেগারাকে ৪ এবং আরভিন ১ রানে ফিরে যান।  ৫৮ রানে ৪ উইকেট হারানো রাজশাহীকে আবরো উদ্ধার করে জহিরুল। ১০৮ রানে জিয়াউরকে ফেরান চিগাম্বুরা। ৩০ বলে ৪২ রানে তারা করে খেলে ২ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় পায় রাজশাহী । মুক্তার আলীকে সঙ্গে নিয়ে জহিরুল ৪২ রানে জুটি গড়ে দলকে জয় এনে দেন। জহিরুল ৪৯ রানে এবং মুক্তার আলী ১৭ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকে।

অন্যদিকে খেলার শুরুতে দূরন্ত রাজশাহীকে প্রথম ওভারেই সাফল্য এনে দেন পেসার এডমন্ডসন। স্টাললিংকে শর্ট মিড অনে দলীয় ৭ রানেই ফিরিয়ে দেন। প্রাথমিক ধাক্কাটা সামলে নিয়ে একধাপ উপরে এসে ব্যাটিং করা মুশফিক আরেক ওপেনার ডুইন স্মিথকে নিয়ে ৫১ রানের জুটি গড়ে পাওয়ার প্লে-র প্রথম ছয় ওভারে ৫৬ রানের স্কোর দার করান। ৫৬ রানে স্মিথ ২৪ রানে নাঈম ইসলাম জুনিয়েরের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। নবম ওভারের শেষ বলে মমিনুল ১০ রানে বোল্ড হয়ে এবং ইনিংসের দশম ওভারের চতুর্থ বলে মুশফিক  ২৩ বলে ৩৪ রান করে ফিরে যান। ১০ ওভারে সিলেটের সংগ্রহ দাড়ায় ৪ উইকেটে ৭৬ রান। দুই নতুন ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন এবং এলটন চিগাম্বুরাও দলকে বেশি দূর নিতে পারেনি। চিগাম্বুরা ৮ এবং মিলন ১৬ রানে ফিরে যাবার পর মোহাম্মদ নবী দলকে ১৬ রান করে সম্মানজনক ১৪১ রানে নিয়ে যান। ২০ ওভার শেষে সিলেট ৮ উইকেটে ১৪১ রান সংগ্রহ করতে পারে। সোরওয়ার্দি শুভ ১১ রানে অপরাজিত থাকে। মনির হোসেন এবং মুনাওয়ারা ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।