bd vs newzealand testতৃতীয় দিনের স্কোরবোর্ড দেখে কষ্টই পেতে পারেন টাইগাররা। যেখানে নিউজিল্যান্ডের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানরা বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিবের ঘূর্ণিতে কাবু, সেখানে লোয়ার অর্ডারের দুই অর্ধশতকে নিউজিল্যান্ডের রান চারশ’ ছাড়িয়েছে। দিন শেষে অতিথিদের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৪১৯ রান। বাংলাদেশের চেয়ে ১৭৫ রানে পিছিয়ে থেকে দিন শুরু করে ১৩৭ রানে এগিয়ে দিন শেষ করলেন অতিথিরা। ক্রিজে রয়েছেন উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান ওয়াটলিং (৫৯) ও স্পিনার ইশ শোধী (৫৫)। ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক হাঁকিয়েছেন শোধী। অষ্টম উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যান ৮৪ রানের জুটি গড়েন। চা-বিরতির পর নাসির হোসেনের ঘূর্ণিতে উইকেট হারান ওয়াগনার। বোলিংয়ে ৫ উইকেট নেয়া এই পেসার ব্যাট হাতে ৮ রানেই ফিরে যান। এর আগে আগে সাকিব আল হাসান ব্রেসওয়েলকে সাজঘরে পাঠিয়ে ক্যারিয়ারে দশমবারের মতো পাঁচ উইকেট শিকার করেন সাকিব আল হাসান। ব্রেসওয়েলকে ১৭ রানে মুশফিকের হাতে তালুবন্দি করান সাকিব। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ৪টি উইকেটই নিয়েছেন সাকিব। দ্বিতীয় দিন হ্যামিশ রাদাফোর্ড (১৩), পিটার ফুলটন (১৪) ও ব্রেনডান ম্যাককালামের (১১) উইকেট নেবার পর তৃতীয় দিনের শুরুতেই রস টেইলরকে (৫৩) সাজঘরে পাঠান সাকিব। এর আগেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট নেবার অভিজ্ঞতা রয়েছে সাকিবের। ২০০৮ সালে চট্টগ্রামের মাটিতে ৩৬ রানের খরচে ৭ উইকেট নেন সাকিব। নিউজিল্যান্ডের ত্রাণকর্তা কোরি এন্ডারসনকে ফিরিয়ে দিয়ে নিজের অভিষেক উইকেট নেন পেসার আল-আমিন হোসেন। ১১৬ রানে কোরি এন্ডারসনকে ফিরিয়ে দেন সোহাগ গাজীর হাতে তালুবন্দি করিয়ে। ১৭৩ বলে ১৬৬ রানের ইনিংসটি সাজান ১৩টি চার ও ২টি ছয় হাঁকিয়ে। নতুন বল নিয়ে আল-আমিনের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মুশফিক। প্রথম ওভারে ১ রান খরচ করলেও দ্বিতীয় ওভারে এসে প্রত্যাশিত উইকেট তুলে নেন ঝিনাইদহের এই তারকা। তবে পঞ্চম উইকেটের উপর ভর করে প্রতিরোধ গড়ে তুলে নিউজিল্যান্ড। কোরি এন্ডারসন ও কেন উইলিয়ামসন যোগ করেন ১৪০ রান। শেষ পর্যন্ত বর্ষীয়ান রাজ্জাকই বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন।   দলীয় ২৬৭ রানে রাজ্জাক কেন উইলিয়ামসনকে ৬২ রানে সাজঘরে ফেরত পাঠান। ৮০তম ওভারের চতুর্থ বলে রাজ্জাকের বল মিড উইকেটের উপর দিয়ে মারতে গিয়ে তামিমের হাতে তালুবন্দি হন উইলিয়ামসন। ক্যারিয়ারে দশম অর্ধশতক তুলে নিয়ে ফিরতে হয় তাকে।