মাশরাফি-সাকিব-তামিম-মুশফিক-রিয়াদকে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পঞ্চপা-ব বলা হয়। প্রায় এক যুগ ধরে তারা জাতীয় দলকে একসঙ্গে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন এই পাঁচ জন। কিন্তু এদেরকেও একসময় অবসর নিতে হবে বয়সের কাছে হার মেনে। তখন কি হবে বাংলাদেশ দলের? অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারদের বিদায়ের পর কারা পূরণ করবেন এদের শূন্যস্থান?

সাধারণত জাতীয় দলের বিকল্প ক্রিকেটার তৈরী এবং পাইপ লাইনে থাকা ক্রিকেটার দেড় পরিচর্যা করা হয় এইচপি ইউনিটে। অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও পরিচালনা করা হয় এইচপি ইউনিট। কিন্তু এইচপি ইউনিট থেকে কাঙ্ক্ষিত সুফল এখনো পাওয়া হয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেটের। তাই বর্তমান এইচপি ইউনিটের ব্যার্থতা ভাবিয়ে তুলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের হর্তাকর্তাদের।

পরবর্তী সময়ে এইচপি ইউনিটের কার্যক্রম কেমন হবে এবং সামনের দিনে কিভাবে পরিচালনা করা হবে এইচপি ইউনিট এই বিষয়ে পরিচালনা পরিষদের মিটিং শেষে সংবাদমাধ্যমকে নাইমুর রহমান দুর্জয় বলেন, ‘আমাদের এইচপির ইউনিটের প্রোগ্রাম শুরু হচ্ছে, আজকে সেটার প্রাথমিক পরিকল্পনা হয়েছে। আমরা কীভাবে কী করব, সময়সীমা, ভেন্যু, কোথায় এবং কবে ক্যাম্প হবে এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘চলমান ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ভালো পারফর্ম করা ২৪-২৫ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে নতুন করে শুরু হবে এইচপি প্রোগ্রাম। এর আগে এইচপি প্রোগ্রামে কোনো বয়সসীমা না থাকলেও, এবার অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া হবে এই বিশেষ ইউনিট। আগামী ১৮ মে থেকে শুরু হবে এই প্রোগ্রাম।’

এইচপি ইউনিটকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর ব্যাপারে দুর্জয় বলেন, ‘এবার আমরা এইচপিকে আলাদা করে পরিচালনা করব। এই বিশেষ ইউনিটের খেলোয়াড়দের নিয়মিত ম্যাচ খেলা প্রয়োজন পড়ে। তাই সংখ্যাটা ২৪-২৫ জনের মতো হবে। আমাদের লক্ষ্য থাকবে, একসঙ্গে যেন দুইটা টিম বিভক্ত হয়ে প্র্যাকটিস করা যায়।’ আগের মতো এবারও এইচপি দলের কোচের দায়িত্বে থাকবেন অসি কোচ সাইমন হেলমট।