আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণার পর থেকেই চলছে নানা ধরণের আলোচনা সমালোচনা। অনেকেই বলছে ক্রিকেট ইতিহাসের এটাই বাংলাদেশের সেরা দল। আবার অনেকের মতে দলটা কিছুটা তারুণ্য নির্ভর কেননা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে ৭ জন তরুণ ক্রিকেটার। বয়সে তরুণ হলেও এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের প্রমাণ করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ মিঠুনরা।
বাংলাদেশ দলে ৭ জন তরুণ ক্রিকেটার থাকার কারণে মাঠের পারফরমেঞ্চে এর কোনো প্রভাব পড়বে না বরং এরা ভাল করতে পারলে বিশ্বকাপই এদের বড় তারকা বানাবে বলে মনে করেন বাংলার ক্রিকেটের প্রথম সুপারস্টার মোহাম্মদ আশরাফুল।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের সম্ভাবনার ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে আশরাফুল বলেন, বিশ্বকাপই আসলে প্লেয়ারদের স্টার বানায়। এখানে যদি আপনি ভালো খেলতে পারেন দেশের জন্য নাম হবে, নিজের জন্য নাম হবে। যেই ৭ জনের নাম হচ্ছে ওরা কিন্তু অলরেডি বাংলাদেশের জন্য সুপারস্টার। ওরা কিন্তু নিজেদের প্রমাণ করেছে, এই লেভেলে পারফর্ম করেছে।’
‘এখন জাস্ট আরেকটা স্টেপ, যেখানে পুরো বিশ্ব ক্রিকেট ফলো করবে বাংলাদেশকে এবং এই প্লেয়ারগুলোকে। এই প্লেয়ারদের জন্য শুভকামনা রইলো। ওরা যেন ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে এটাই আশা থাকবে। উইকেটগুলো খুব চমৎকার থাকবে ব্যাটিংয়ের জন্য। যারাই সুযোগ পাবে যেন বড় বড় ইনিংস খেলে’
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সামনে রয়েছে ব্যস্ত সফর-সূচি। আগামী মাসে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ, এই সিরিজ শেষ হওয়ার কিছু দিন পরেই শুরু হয়ে যাবে বিশ্বকাপের দামামা। দীর্ঘ সফরের কারণে খেলোয়াড়দের মনে তৈরী হতে পারে ‘হোমসিকনেস’ যা মানছেন আশরাফুলও। শুধু তাই নয় দীর্ঘ সফরের শেষের দিকে খেলোয়াড়দের মানসিক অবস্থায় এটি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
এই ব্যাপারে মোহাম্মদ আশরাফুল বলেন, ‘আয়ারল্যান্ড সিরিজের পর মনে হয় ৮-১০ দিনের গ্যাপ আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি ওই সময়টা যদি দেশে ফিরে আসতে পারত, তাহলে ভালো হত। এমনি এই বিশ্বকাপে সবার সাথে সবাই খেলবে। নয়টা ম্যাচ, দেড় মাসের ট্যুর। ওয়েদারের সাথে মানিয়ে নেয়ার জন্য হয়তো থাকতে হবে আয়ারল্যান্ড সিরিজের পর। কিন্তু আসতে পারলে মনে হয় ভালো হত। আমাদের মধ্যে এটা আছে। লম্বা সময় দেশের বাইরে, শেষের দিকে প্রভাব ফেলে।’