অষ্টম বাংলাদেশ গেমসের পর্দা উঠলো শনিবার। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে গেমসের উদ্ধোধন ঘোষণা করেন। বিকেল চারটায় শুরু হয় গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রায় চারঘণ্টার মনোমুগ্ধকর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই ডিজে রাহাত ও ডিজে জেনিফার রেটরো ও ক্লাব মিউজিক দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করে। ৪টা থেকে শুরু করে ৫.৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে দেশ সেরা এই দুই ডিজের পারফরমেন্স। এর পরেই মাঠে প্রবেশ করে ব্যান্ড ডিসপ্লে। তিন বাহনীর সঙ্গে পুলিশের ব্যান্ড ডিসপ্লেতে অংশ গ্রহন করেন প্রায় ৪শতাধিক শিল্পী।
- অনুষ্ঠানে আগত দর্শকদের একাংশ
- জাতীয় সঙ্গীতের মূছর্না
- তিন বাহনীর সঙ্গে পুলিশের ব্যান্ড ডিসপ্লে
- লেজার শো
- অডিও ভিজুয়্যাল ডিসপ্লে
- অ্যাথলেটদের অংশগ্রহনে মার্চ পাস্ট শুরু
- অডিও ভিজুয়্যাল ডিসপ্লে
- সব শেষে আতশবাজির ঝলকানি
- সব শেষে আতশবাজির ঝলকানি
- মাসকট কাঠবিড়ালী নিয়ে প্রায় শতাধিক শিশু মাঠ প্রদক্ষিণ
মাগরিবের নামাজের বিরতীর পর শুরু হয় অডিও ভিজুয়্যাল ডিসপ্লে। যেখানে এ যাবতকাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ক্রীড়া বিভাগে সকল সাফল্যের প্রামাণচিত্র তুলে ধরা হয়। রিজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পীরাসহ প্রায় ১০০ জন ক্ষুদে শিল্পী দর্শকদের মধ্যে জাতীয় সঙ্গীতের মূছর্নার সৃষ্টি করেছিল। বিওএ’র সভাপতি ও সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার।
পরে অ্যাথলেটদের অংশগ্রহনে মার্চ পাস্ট শুরু হয়। ক্রীড়াবিদদের শপথ বাক্য পাঠ করান দেশের দ্রুততম মানব মোহন খান ও মানবী নাজমুন নাহার বিউটি। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গেমসের ডিজিটাল উদ্বোধন ঘোষণা করেন। লেজারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরযুক্ত শুভ উদ্বোধন কথাটি ফুটিয়ে তোলা হয়। গেমসের লোগো, মাসকট, পিক্টোগ্রাম, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি, স্বাধীনতার স্তম্ভসহ মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন নিদর্শন লেজারের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। মশাল প্রজ্জ্বলন করেন হকির তারকা খেলোয়াড় জুম্মান লুসাই। চার সাবেক ক্রীড়াবিদ ফুটবলার শেখ মোঃ আসলাম, সাঁতারু উইং কমান্ডার রফিকুল ইসলাম, অ্যাথলেট শামীমা সাত্তার মিমু ও শুটার সাবরিনা সুলতানা মশাল নিয়ে গ্যালারি প্রদক্ষিণ করে জুম্মন লুসাইয়ের হাতে তুলে দেন। এখানেও ছিল চমক। জুম্মন লুসাই স্টেজে মশাল জ্বালান। সেই মশালের আগুন লেজারের মাধ্যমে মুল মশাল স্ট্যান্ডে প্রজ্জ্বলিত হয়।
মাসকট কাঠবিড়ালী নিয়ে প্রায় শতাধিক শিশু মাঠ প্রদক্ষিণ করে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনসহ মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয় লেজার শো’র মাধ্যমে। আনিসুর রহমানের লেখা ‘একই বিশ্বাসে আজ জেগেছে দুর্জয় প্রান/ প্রতিযোগিতার মঞ্চে আমরা সবাই সমান’ শিরোনামের এই থিম সংয়ে দর্শকরা গলা মেলান দেশবরেণ্য শিল্পী সুবীর নন্দী, শাকিলা জাফর, ফাহমিদা নবী, পার্থ বড়ুয়া, বাপ্পা মজুমদার ও কনা।। স্কুল কলেজের ছাত্র- ছাত্রীরা বিশাল জাতীয় পতাকা নিয়ে মাঠে প্রবেশ করে। সব শেষে ছিল আতশবাজির ঝলকানি।
উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিওএ’র সাবেক সভাপতি লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, বিওএ’র মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা, সহ-সভাপতি ও স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, মিজানুর রহমান মানু, শেখ বশির আহমেদ মামুন, তিন উপ-মহাসচিব আশিকুর রহমান মিকু, বাদল রায় ও এসএম ইমতিয়াজ খান বাবুল উপস্থিত ছিলেন।









